সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়ে দেয়, মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে যাঁরা অভিযোগ করেছিলেন, গেজেট নোটিফিকেশন জারির ৩০ দিনের মধ্যে তাঁরা জেলা জজের কাছে আবেদন করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, ৭৯ নম্বর ধারায় জেলা জজের কাছে ইলেকশন পিটিশন করা যায়।
রাজ্যের ২০ হাজার ১৭৮টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধীরা অভিযোগ তোলে, তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে দেয়নি। BDO ও SDO অফিস ঘিরে রেখেছিল। ফলে, তাদের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি।
এই অভিযোগ নিয়ে একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় CPI(M), BJP এবং কংগ্রেস। হাইকোর্ট সেই সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়, ই-মেলের মাধ্যমে জমা করা মনোনয়ন গ্রহণ করতে। কিন্তু, এই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ওই রায়কে "ব্যাড অর্ডার" বলে মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। সেই রায়ের উপর স্থগিতাদেশও জারি করা হয়।
তবে আদালতে CPI(M) এবং BJP বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বহু আসনে তৃণমূলের জয়লাভের কথা জানায়। ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভের কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি শেষ হয়। ওইদিন প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এক সপ্তাহের মধ্যেই মামলার রায় ঘোষণা হবে। সেইমতো আজ রায় ঘোষণা করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরে রাজ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে না। তবে বিরোধীদের অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, মনোনয়নে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে প্রত্যেককে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের একংশের মতে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরে স্বস্তি পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ, তারা বরাবর বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর, যে সব আসনগুলিতে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা সম্ভব হয়নি তা এবার করা যাবে।
এই অভিযোগ নিয়ে একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় CPI(M), BJP এবং কংগ্রেস। হাইকোর্ট সেই সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়, ই-মেলের মাধ্যমে জমা করা মনোনয়ন গ্রহণ করতে। কিন্তু, এই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের ওই রায়কে "ব্যাড অর্ডার" বলে মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। সেই রায়ের উপর স্থগিতাদেশও জারি করা হয়।
তবে আদালতে CPI(M) এবং BJP বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বহু আসনে তৃণমূলের জয়লাভের কথা জানায়। ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভের কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করে আদালত।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি শেষ হয়। ওইদিন প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এক সপ্তাহের মধ্যেই মামলার রায় ঘোষণা হবে। সেইমতো আজ রায় ঘোষণা করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরে রাজ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী আসনগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে না। তবে বিরোধীদের অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, মনোনয়নে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে প্রত্যেককে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের একংশের মতে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরে স্বস্তি পাবে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ, তারা বরাবর বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর, যে সব আসনগুলিতে গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা সম্ভব হয়নি তা এবার করা যাবে।

No comments:
Post a Comment