ছবি :বিভাস লোধ
চেন্নাই, ৮ অগাস্ট : সব জটিলতার অবসান। দীর্ঘ বাদানুবাদের পর অবশেষে DMK-এর পক্ষে রায় দিল আদালত। মারিনা বিচেই সমাধিস্থ করা হবে করুণানিধিকে। মাদ্রাজ় হাইকোর্টের রায়ে উচ্ছ্বসিত DMK সমর্থকরা।
তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ থেকে করুণানিধিকে মারিনা বিচে সমাধিস্থ করার বিরোধিতা করে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আবেদন করেন ট্র্যাফিক রামাস্বামী, কে বালু ও ডুরাইসামী। আজ ট্র্যাফিক রামাস্বামীর আইনজীবী জানান, "করুণানিধির সমাধিস্থান নিয়ে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই।" হাইকোর্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি তাঁদের মামলা প্রত্যাহার করতে বলেন। হাইকোর্টের পক্ষ থেকে মারিনা বিচে সমাধি নিয়ে নো অবজেকশনের একটি স্মারকলিপিও দিতে বলা হয়। এরপরই তাঁদের আবেদন নাকচ করে দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি।
ছবি :বিভাস লোধ
এদিকে আজ আদালতে তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারের প্রেস বিবৃতিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে না DMK। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানকী রামাচন্দ্রনের সমাধির সময়েও একই কারণে জায়গা দিতে পারেননি করুণানিধি। এর জবাবে DMK-র আইনজীবী বলেন, DMK-প্রতিষ্ঠাতা আন্নাও একসময় স্বীকার করেছেন, করুণানিধি তাঁর কাছে সব ছিলেন। গান্ধি মূর্তির সামনে সমাধি না হলে সেই সম্মান পাবেন না এই মানের নেতা। সরকারকে পালটা প্রশ্ন করে DMK-র আইনজীবী বলেন, সরকার গোটা রাজ্যে শোকদিবস ঘোষণা করেছে। তবে কেন সমাধির জমি দেওয়া হচ্ছে না। মারিনা বিচে জমি দেওয়া নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও কোনও কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও নিষেধ বা প্রোটোকল ছিল না। এরপর জানানো হয়, রাজ্যের সাত কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটি মানুষ DMK সমর্থক। মারিনা বিচে জমি না দেওয়া হলে তারা প্রত্যেকেই ক্ষুণ্ণ হবে। DMK-র জবাব দিয়েছে সরকার পক্ষের আইনজীবীও। তিনি বলেন, দ্রাবিড়িয়ান মুভমেন্টের অনেক বড় নেতা ছিলেন DK প্রধান পেরিয়ার। তাঁর কি মারিনা বিচে সমাধি হয়েছিল ?
আজ সকাল থেকেই রাজাজি হলে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসে অসংখ্য মানুষ। শ্রদ্ধা জানান রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী। তিনি বলেন, "তামিলনাড়ুর বড় ক্ষতি। করুণানিধির পরিবার ও তাঁর দলকে সমবেদনা জানাই।" শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বানওয়ারিলাল পুরোহিত। এসেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরাও। শেষ শ্রদ্ধা জানালেন অভিনেতা রজনীকান্ত ও কমল হাসান। শ্রদ্ধা জানাতে চেন্নাই পৌঁছলেন নরেন্দ্র মোদি।


No comments:
Post a Comment