উত্তর চব্বিশ পরগনার হাসনাবাদের শিমুলিয়া কালিবাড়ি এলাকার ঘটনা।মৃতা মৌসুমী দাস(২০)।শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ মৃতার পরিবারের।
পরিবার সূত্রে খবর, গত ১৮ই জুলাই পেশায় গেঞ্জি কারখানার শ্রমিক বিশ্বজিত দাশের(২৬)সঙ্গে বিবাহ হয় মৌসুমি দাশের।পরিবার সুত্রে খবর বিয়ের পর থেকেই মেয়ের উপর অত্যাচার করত তার স্বামী,ঠিক মত খেতেও দেওয়া হত না তাকে।পারিবারিক অশান্তির জেরে কিছুদিন আগে বাপের বাড়ি ফিরে আসে মৌসুমি। পরিবারের লোকজন তাকে বিঝিয়ে গত সোমবার শ্বশুর বাড়ি ফেরত পাঠায়।
বুধবার মৌসুমি দাশের ভাই দিদিকে দেখতে দিদির বাড়ি যায়।তার ভাইকে মেয়েটির স্বামী সিঙ্গারা,চপ আনতে বলে।ভাই নতুন এলাকার কিছু না চেনায় তাকে না পাঠিয়ে স্বামীকেই যেতে বলে মৌসুমী।এর থেকেই বচসার সূত্রপাত।মৌসুমীর পরিবারের কিছু স্থানীয় আত্মীয় স্বজন তাদেরকে জানায় বেশ কিছু সময় ধরে বচসা চলছিল।এদিকে সন্ধ্যা র আগে তার ভাই বাড়ির উদ্দ্যেশ্যে রওনা দেয়,ভাই বাড়ি ফেরার আগেই বাড়ির লোকের কাছে স্থানীয় লোকজন মারফৎ খবর আসে মৌসুমি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
পরিবারের লোকজন গিয়ে মৌসুমিকে উদ্ধার করে টাকী গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাকে মৃত বলে ঘোষনা করা হয়।
ঘটনার পর থেকে স্বামী বা স্বামীর পরিবারের কেউ মৌসুমির খোঁজ নেয়নি বলে অভিযোগ।টাকী গ্রামীন হাসপাতালে ঘটনার বিবরন শুনতে ও পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে আসেন হাসনাবাদের বিডিও অরিন্দম মুখার্জী।মৃতার পরিবারের তরফে হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

No comments:
Post a Comment