অবৈধ সম্পর্ক জানতে পারায় খুন স্ত্রী! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 10 August 2018

অবৈধ সম্পর্ক জানতে পারায় খুন স্ত্রী!



মৃন্ময় নস্করঃ ফের গৃহবধূ খুনের অভিযোগ উঠল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম মহম্মদ হাবিব মোল্লা, বয়স ২৭, পেশায়  দর্জির মিস্ত্রি।

 অবৈধ সম্পর্ক  জানতে পারায়  স্ত্রী  আফিফা বিবি খাতুন, বয়স ২৩ কে মারধর করে মেরে ফেলা  অভিযোগ তুলে মহেশতলা থানাই অভিযোগ দায়ের করেন মৃত গৃহবধূর  বাবা  । জানা গিয়েছে, দীর্ঘ -চার বছর আগে  চট্টা কালিপুর চালকি পাড়ার বাসিন্দা। আফিফা খাতুনের সঙ্গে  সংশ্লিষ্ট জায়গার   বাসিন্দা মহম্মদ হাবিব মোল্লা  সঙ্গে দেখাশুনা করে মুসলিম স্বাস্থ্য মতে উপযুক্ত যৌতুক দিয়ে বিবাহ হয় । সুখে শান্তিতে  সংসার চলছিল একটি কন্যা  সন্তানের ও জন্ম হয় ।ঠিক তার  কিছু দিন পর থেকে  আফিফা বিবি লক্ষ করে  তার স্বামী অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলছে বেশ কয়েক বার  আফিফা বিবি বুঝিয়ে ছিল কিন্তু সুফল কিছুই হয়নি  উপরন্তু  ফোন করা আরও বেড়েছে হাবিবের, বারণ করলে মারধোর করতে থাকে।

পাশাপাশি শ্বশুরবাড়ির  লোকজনের অত্যাচার বাড়তে  থাকে  অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে  বেশ কয়েক বার  বাপের বাড়িতে  চলে যাই  , আফিফা বাবা  আব্বাস আলী মোল্লা মেয়ে ও জামাইকে   বুঝিয়ে  মেয়েকে  শ্বশুরবাড়িতে রেখে যাই  কিন্তু  সুরাহ কিছুই হয়নি আরো বরং অত্যাচারের মাত্রা বাড়তে থাকে ।বৃহস্পতিবার অশান্তির সীমা এতই চরম পর্যায়ে পৌছে যায় যে আফিফা বিবিকে মারধোর করে মেরে  দিয়ে  আফিফা বিবির  স্বামী  আফিফার  বাপের  বাড়িতে  চারটে সময় ফোন করে বলে যে  আপনার মেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে মারা গিয়েছে ,খবর পেয়ে যখনই আফিফা বিবির  বাপের বাড়ি লোকজন যাই  মেয়ে কে দেখতে তখন দেখা যাইযে  আফিফা কে স্থানিয়  একটি  বেসরকারি নার্সিংহোম ( জি এম  আর  আই ) নিয়ে যাওয়া হয়েছে ও খানে  চিকিংসকেরা আফিফা বিবিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ও পাশপাশি  মহেশতলা থানাই খবর দেয় । পুলিশ আফিফা বিবির নিথর দেহ নিয়ে চলে যান  । আফিফা বিবির বাপের  বাড়ির লোকজন মহেশতলা থানাই যায়।

অভিযুক্ত স্বামী  হাবিবকে আটক করে  মহেশতলা থানার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  আফিফা বিবির বাপের বাড়ি লোকজনদের ও আফিফা বাবা অভিযোগ যে,   জামাই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক সঙ্গে লিপ্ত ছিল সেটা নিয়ে  বেশ কয়েকবার প্রতিবাদ করে  এর জেরে আমার মেয়েকে  মারধোর করে মেরে দিয়েছে। যদি আমার মেয়ে গলাই দড়ি দিতো তাহলে দলাই দাগ  থাকতো জিভ বের হয়ে  থাকতো থুতনির  কাছে  দাগ কেন আরা আমাদের খবর দিল যে আমার মেয়ে  মারা  গিয়েছে তাহলে নার্সিংহোম নিয়ে গেল কেন এই  সকল  অভিযোগ তুলে মহেশতলা  থানাই বৃহস্পতিবার দুটোর  সময় জামাই ও মেয়ের  শ্বশুর বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন  ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad