মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের একটি মর্গের কর্মচারী স্বীকার করেছেন, তিনি অন্তত ১০০ মৃত নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। অর্থাৎ তিনি ১০০ মৃত নারীকে ধর্ষণ করেছেন।
রবিবার (স্থানীয় সময়) নিউইয়র্ক ডেইলিতে এ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
নরাধম ওই মর্গ কর্মচারীর নাম ডগলাস। তিনি ওহিও অঙ্গরাজ্যে একটি মর্গে রাতের শিফটে কাজ করতেন।
ডগলাস স্বীকার করেছেন, ১৯৭৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত কমপক্ষে ১০০ মৃত নারীর সঙ্গে তিনি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। ওই সময় তিনি অতিরিক্ত ড্রাগ নিতেন এবং অ্যালকোহল পান করতেন।
আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে ডগলাস বলেন, ‘আমি তাদের (মৃত নারী) উপর উঠতাম এবং আমার প্যান্ট খুলতাম।’
১০০ মৃত নারীর সঙ্গে মর্গ কর্মচারীর সেক্স!
আদালতে তিনি আরও বলেন, ‘আমি যখন অনেক বেশি ড্রাগ নিতাম অথবা মদ্যপ অবস্থায় থাকতাম তখন মৃত নারীদের ওপর হামলে পড়তাম।’
ডব্লিউপিটিভি’র উদ্ধৃতি অনুযায়ী ডগলাস স্বীকার করেছেন, নেশা করার কিছু না থাকলে তিনি কাজে যোগ দিতেন কিন্তু এমনটি সচারচর ঘটতো না।
ডগলাসের স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, যখন তিনি তার স্বামীকে কাজ শেষে বাসায় নিয়ে যেতেন তখন তার শরীর থেকে ‘সেক্সের গন্ধ’ বের হতো।
ডগলাস যাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন তাদেরই একজন ২৩ বছর বয়সী চারলিন অ্যাপলিং। চারলিনকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর ডগলাস তার সঙ্গেও সেক্স করেন অথচ তখন তিনি ছয় মাসের গর্ভবতী ছিলেন।
ডগলাসের অপর শিকার ১৯ বছর বয়সী ক্যারেন র্যাঞ্জ। ডগলাসকে তখনই ধরা হয় যখন তার বীর্য থেকে ডিএনএ বিন্যাস শরীরের ভেতর পাওয়া যায়।
ডগলাসের অপরাধযজ্ঞ তখনই সামনে আসে যখন তিনি র্যাঞ্জকে হত্যা করেন। এবং ডেভিড স্টিফেন নামে এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ আনেন।

No comments:
Post a Comment