বেইজিং, ০৫ জুলাই- 'ফায়ার থেরাপি' নামে পরিচিত চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে শত শত বছর ধরে এক ধরনের চিকিৎসা করা হচ্ছে। যেখানে থেরাপিস্ট রোগীর গায়ে অ্যালকোহল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন। এভাবেই মারাত্মক চাপ, বদহজম, বন্ধ্যাত্ব, এমনকি ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হচ্ছে। তবে অনেকেই এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা করিয়ে সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভের কথা জানিয়েছেন।
এ পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া জ্যাং ফেংগাও তো এটাকে মানব ইতিহাসের চতুর্থ বিপ্লব বলে উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া এটা চীনা ও পশ্চিমা চিকিৎসা পদ্ধতিকে ছাড়িয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার এড়ানো যায় বলেও বেশ গর্বের সঙ্গেই বলেন তিনি।
এভাবে চিকিৎসা করতে ঘণ্টা প্রতি ৩০০ ইউয়ান (৪৮ ডলার) নেন জ্যাং। তিনি জানান, প্রথমে তিনি রোগীর পিঠে ভেষজ পেস্ট লাগান। এরপর ওই অংশ তোয়ালে দিয়ে ঢেকে তাতে পানি ঢালেন। তারপর ৯৫ শতাংশ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ তরল ঘষে ঘষে লাগিয়ে দেন। এরপর জ্বালানো হয় আগুন।
এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা ব্যয় কম হওয়ায় অনেক চীনাই এভাবে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।
সম্প্রতি বিষয়টি চীনা গণমাধ্যমগুলোতে উঠে আসায় দেশটিতে এ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
এ পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া জ্যাং ফেংগাও তো এটাকে মানব ইতিহাসের চতুর্থ বিপ্লব বলে উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া এটা চীনা ও পশ্চিমা চিকিৎসা পদ্ধতিকে ছাড়িয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
এই পদ্ধতি ব্যবহার করে অস্ত্রোপচার এড়ানো যায় বলেও বেশ গর্বের সঙ্গেই বলেন তিনি।
এভাবে চিকিৎসা করতে ঘণ্টা প্রতি ৩০০ ইউয়ান (৪৮ ডলার) নেন জ্যাং। তিনি জানান, প্রথমে তিনি রোগীর পিঠে ভেষজ পেস্ট লাগান। এরপর ওই অংশ তোয়ালে দিয়ে ঢেকে তাতে পানি ঢালেন। তারপর ৯৫ শতাংশ অ্যালকোহল সমৃদ্ধ তরল ঘষে ঘষে লাগিয়ে দেন। এরপর জ্বালানো হয় আগুন।
এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা ব্যয় কম হওয়ায় অনেক চীনাই এভাবে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন।
সম্প্রতি বিষয়টি চীনা গণমাধ্যমগুলোতে উঠে আসায় দেশটিতে এ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
No comments:
Post a Comment