বগুড়া, ১৪ ডিসেম্বর- একমাস আগেও ইতি আকতারের নামে সৈয়দ আহম্মদ কলেজের একাদশ শেণিতে ক্লাস করত সে। এর মাঝেই বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার কোয়ালীপাড়া গ্রামে পুরুষে রূপান্তর হওয়া ইতি আকতার শারীরিক পরিবর্তন শুরু হয়ে যায়। শারীরিকভাবে পুরুষে রুপান্তরিত হওয়া ইতি আকাতার এখন ইদ্রিস আলী নামে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।
মঙ্গলবার রাতে তিনি এক লাখ টাকা দেনমোহরে কলেজ বান্ধবী সাবিনা আকতারকে বিয়ে করেছেন। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে মুলবাড়ি ঈদগাহ মাঠের ইমাম মাওলানা আবু মুসার ফাজিলপুরের বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এ সময় বর ও কনেকে একনজর দেখতে বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ ভিড় করেন।
স্থানীয় জনগণ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের কোয়ালীপাড়া গ্রামের সোনা মিয়ার মেয়ে ও সৈয়দ আহম্মদ কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ইতি আকতার (২১) এক মাস আগে পুরুষে রূপান্তরিত হন।
আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে তার নাম পরিবর্তন ও বয়স সংশোধন করা হয়। ইতি আকতার থেকে তার নাম দেয়া হয় ইদ্রিস আলী। মাদ্রাসা ও কলেজজীবনে দীঘলকান্দি গ্রামের আমজাদ হোসেন আকন্দের মেয়ে সাবিনা আকতার (১৮) তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ছিল। ইতি পুরুষ হওয়ার পর তিনি সাবিনাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। সাবিনাও রাজি হন।
দিগদাইড় ইউনিয়নের কাজী (বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার) রবিউল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলীর বিয়েতে এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে। ৬০০ টাকা নগদ ও ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা বাকি রেখে বিয়ের রেজিস্ট্রি করা হয়েছে।
বিয়ের পর বর ইদ্রিস আলী তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, সাবিনা তার মাদ্রাসা থেকে কলেজজীবন পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তাদের বন্ধুত্বকে চিরস্থায়ী করতে দু’জনই একে অপরকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
কনে সাবিনা আকতার একই মন্তব্য করে বলেন, ইদ্রিসকে বিয়ে করেই সুখী হতে চান। ইদ্রিস আলীর বাবা সোনা মিয়া বলেন, একটি ছেলের আশায় সাতটি সন্তান নিয়েছেন। ছয় মেয়ের পর আল্লাহ তাকে একটি মেয়ে সন্তান দান করেন। ৬ষ্ঠ মেয়ে ইতি আকতার ছেলেতে রূপান্তর হওয়ায় তিনি এখন দুই ছেলে ও পাঁচ মেয়ের গর্বিত বাবা।
ইদ্রিস আলী তার বান্ধবী সাবিনাকে বিয়ে করায় তিনি খুব খুশি। মেয়ের বাবা আমজাদ হোসেন আকন্দ প্রথমে এ বিয়েতে রাজি না হলেও পরে গ্রামবাসীর অনুরোধে রাজি হন।
মঙ্গলবার রাতে তিনি এক লাখ টাকা দেনমোহরে কলেজ বান্ধবী সাবিনা আকতারকে বিয়ে করেছেন। উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে মুলবাড়ি ঈদগাহ মাঠের ইমাম মাওলানা আবু মুসার ফাজিলপুরের বাড়িতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এ সময় বর ও কনেকে একনজর দেখতে বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ ভিড় করেন।
স্থানীয় জনগণ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের কোয়ালীপাড়া গ্রামের সোনা মিয়ার মেয়ে ও সৈয়দ আহম্মদ কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ইতি আকতার (২১) এক মাস আগে পুরুষে রূপান্তরিত হন।
আদালতে এফিডেভিটের মাধ্যমে তার নাম পরিবর্তন ও বয়স সংশোধন করা হয়। ইতি আকতার থেকে তার নাম দেয়া হয় ইদ্রিস আলী। মাদ্রাসা ও কলেজজীবনে দীঘলকান্দি গ্রামের আমজাদ হোসেন আকন্দের মেয়ে সাবিনা আকতার (১৮) তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ছিল। ইতি পুরুষ হওয়ার পর তিনি সাবিনাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। সাবিনাও রাজি হন।
দিগদাইড় ইউনিয়নের কাজী (বিবাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার) রবিউল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলীর বিয়েতে এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়েছে। ৬০০ টাকা নগদ ও ৯৯ হাজার ৪০০ টাকা বাকি রেখে বিয়ের রেজিস্ট্রি করা হয়েছে।
বিয়ের পর বর ইদ্রিস আলী তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, সাবিনা তার মাদ্রাসা থেকে কলেজজীবন পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। তাদের বন্ধুত্বকে চিরস্থায়ী করতে দু’জনই একে অপরকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
কনে সাবিনা আকতার একই মন্তব্য করে বলেন, ইদ্রিসকে বিয়ে করেই সুখী হতে চান। ইদ্রিস আলীর বাবা সোনা মিয়া বলেন, একটি ছেলের আশায় সাতটি সন্তান নিয়েছেন। ছয় মেয়ের পর আল্লাহ তাকে একটি মেয়ে সন্তান দান করেন। ৬ষ্ঠ মেয়ে ইতি আকতার ছেলেতে রূপান্তর হওয়ায় তিনি এখন দুই ছেলে ও পাঁচ মেয়ের গর্বিত বাবা।
ইদ্রিস আলী তার বান্ধবী সাবিনাকে বিয়ে করায় তিনি খুব খুশি। মেয়ের বাবা আমজাদ হোসেন আকন্দ প্রথমে এ বিয়েতে রাজি না হলেও পরে গ্রামবাসীর অনুরোধে রাজি হন।
No comments:
Post a Comment