উন্নত-অনুন্নত সব দেশেই অপরাধীদের জন্য রয়েছে শাস্তির বিধান। দেশভেদে এই শাস্তির বিধানে রকমফের হলেও মানবসৃষ্ট আইনের হাত থেকে মুক্তি নেই অপরাধীর। অপরাধ এবং অপরাধীদের শাস্তি দেয়ার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, একটা সময় ছিল যখন অপরাধী মাত্রই মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতো। এবিষয়ে আমরা প্রাচীণ মিসরের কথা উল্লেখ করতে পারি। ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাচীন মিসরে যেকোনো অপরাধের জন্যই শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই শাস্তির বিধান অনেক শিথীল হয়ে আসে। বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া অধিকাংশ দেশেই এখন মৃত্যুদণ্ডের বিপরীতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাবাস দেয়া হয়। কিন্তু সেই কারাবাসও নির্ভর করে আবার অপরাধীর বয়সের উপর নির্ভর করে।
কিন্তু টেক্সাসের ভ্যাম্পায়ার হিসেবে পাবলো লুসিও ভাসকুজ নামের এক খুনীকে শাস্তি হিসেবে এক লাখ একচল্লিশ হাজার আটাত্তর বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ১২ বছর বয়সী একটি শিশুকে হত্যা এবং হত্যা পরবর্তীতে সেই শিশুর রক্ত খাবার অপরাধে টেক্সাস আদালত তাকে এই কারাদণ্ড দেয়। অন্যান্য দেশে এমন অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান থাকলেও, টেক্সাসে যেহেতু মৃত্যুদণ্ডের বিধান নেই তাই এমন শাস্তি দেয়া হয়েছে। কারণ কোনো অপরাধীকে যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় তবে সেই অপরাধী তার জীবদ্দশাতেই কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যক বছর শাস্তি হিসেবে দেয়ায়, অপরাধী পাবলোর পক্ষে এই জীবনে আর কারাগারের বাইরে আসা সম্ভব হবে না।
মৃত্যুদণ্ড বিধান না থাকায় পাবলোকে গ্রেপ্তারের পর অনেকেই ভেবেছিলেন যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়ে আবারও ফিরে আসতে পারে এই অপরাধী। কিন্তু সাধারণ টেক্সাসবাসীকে আশাহত না করেই এমন যুগান্তকারী শাস্তির রায় দিলেন আদালত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আদালতে এমন শাস্তির বিধান নেই বললেই চলে। তবে ১৯৮৯ সালে থাইল্যান্ডে চ্যাময় থিপায়সো নামের এক নারীকে এক লাখ একচল্লিশ হাজার আটাত্তর বছরের জেল দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও স্পেনে ২০০৭ সালে অটোম্যান আল গানুলি নামের অপর এক অপরাধীতে বিয়াল্লিশ হাজার নয়শ চব্বিশ বছরের জন্য কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল।
১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে চার্লস স্কট রবিনসন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। আটক পরবর্তীতে ধারণা করা হয়েছিল যে, সর্বোচ্চ চল্লিশ বছরের জন্য তাকে সাজা দেয়া হতে পারে। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত মামলার গুরুত্ব বোঝাতে এবং অপরাধীর অপরাধের মর্মান্তিকতা সাপেক্ষে ত্রিশ হাজার বছরের জন্য কারাগারে বন্দী হিসেবে থাকার নির্দেশ দেন চার্লসকে। পরবর্তীতে অবশ্য আদালতকে বিপুল পরিমান অর্থ জরিমানা দিয়ে শাস্তির মেয়াদ কিছুটা কমানো হয়েছিল। কিন্তু সেই শাস্তি কমে দাড়িয়েছিল পাঁচ হাজার বছর।
কিন্তু টেক্সাসের ভ্যাম্পায়ার হিসেবে পাবলো লুসিও ভাসকুজ নামের এক খুনীকে শাস্তি হিসেবে এক লাখ একচল্লিশ হাজার আটাত্তর বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ১২ বছর বয়সী একটি শিশুকে হত্যা এবং হত্যা পরবর্তীতে সেই শিশুর রক্ত খাবার অপরাধে টেক্সাস আদালত তাকে এই কারাদণ্ড দেয়। অন্যান্য দেশে এমন অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধান থাকলেও, টেক্সাসে যেহেতু মৃত্যুদণ্ডের বিধান নেই তাই এমন শাস্তি দেয়া হয়েছে। কারণ কোনো অপরাধীকে যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় তবে সেই অপরাধী তার জীবদ্দশাতেই কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যক বছর শাস্তি হিসেবে দেয়ায়, অপরাধী পাবলোর পক্ষে এই জীবনে আর কারাগারের বাইরে আসা সম্ভব হবে না।
মৃত্যুদণ্ড বিধান না থাকায় পাবলোকে গ্রেপ্তারের পর অনেকেই ভেবেছিলেন যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়ে আবারও ফিরে আসতে পারে এই অপরাধী। কিন্তু সাধারণ টেক্সাসবাসীকে আশাহত না করেই এমন যুগান্তকারী শাস্তির রায় দিলেন আদালত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আদালতে এমন শাস্তির বিধান নেই বললেই চলে। তবে ১৯৮৯ সালে থাইল্যান্ডে চ্যাময় থিপায়সো নামের এক নারীকে এক লাখ একচল্লিশ হাজার আটাত্তর বছরের জেল দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও স্পেনে ২০০৭ সালে অটোম্যান আল গানুলি নামের অপর এক অপরাধীতে বিয়াল্লিশ হাজার নয়শ চব্বিশ বছরের জন্য কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল।
১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে চার্লস স্কট রবিনসন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। আটক পরবর্তীতে ধারণা করা হয়েছিল যে, সর্বোচ্চ চল্লিশ বছরের জন্য তাকে সাজা দেয়া হতে পারে। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত মামলার গুরুত্ব বোঝাতে এবং অপরাধীর অপরাধের মর্মান্তিকতা সাপেক্ষে ত্রিশ হাজার বছরের জন্য কারাগারে বন্দী হিসেবে থাকার নির্দেশ দেন চার্লসকে। পরবর্তীতে অবশ্য আদালতকে বিপুল পরিমান অর্থ জরিমানা দিয়ে শাস্তির মেয়াদ কিছুটা কমানো হয়েছিল। কিন্তু সেই শাস্তি কমে দাড়িয়েছিল পাঁচ হাজার বছর।
No comments:
Post a Comment