আমার শরীর নাকি নোংরা- শিরোনাম পড়ে অনেকেরই মনে হতে পারে যে আমি কেবল পুরুষদের কথাই বলছি। হ্যাঁ, পুরুষদের কথা তো বলছি বটেই, একইসাথে কিছু নারীদের কথাও বলছি। দেশ এগিয়ে গেছে, এখন অনেক মেয়েই গৃহ নির্যাতন না সয়ে ডিভোর্সের প্রস্তুতি নেয়।






আমরা মানতে চাই বা না চাই, আমাদের সমাজে এখনও নারীর জীবন ঘুরেফেরে বিয়ে নামক সামাজিক বন্ধনটির আশেপাশে। যৌবনে পা দিতে না দিতেই লোকের যেন একটাই মাথা ব্যথা- এই মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না কেন? বয়স একটা নির্দিষ্ট সীমা পার করে ফেললে এখনো আর মেয়ের বিয়ের কথাবার্তা এগোয় না।ত্রিশের পর বিয়ে করা মেয়েদের দিকে আজও অন্যভাবেই তাকায় সমাজের বেশীরভাগ মানুষ। পরিবারের কপালে ভাঁজ পড়ে, বাচ্চা হবে কি হবে না তা নিয়ে গবেষণা করে আত্মীয়স্বজনে, পাত্রপক্ষ মনে মনে ভাবে- “এতদিনেও বিয়ে হয়নি! মেয়ের আবার কোন সমস্যা নেই তো?”






অন্যদিকে ডিভোর্সি হলে যেন কথাই নেই। একজন পুরুষ যেখানে তালাকের পরেও অবিবাহিতা কোন নারীকে বিয়ে করতেই পারেন, সেখানে ডিভোর্সি মেয়ের জন্য অবিবাহিত পুরুষ যেন কল্পনাই করা যায় না। ডিভোর্সি মেয়ের বিয়ে হবে ডিভোর্সি পুরুষের সাথে, বড়জোর স্ত্রী মারা গেছেন এমন কারো সাথে।কেন এই হিপোক্রেসি, আমার জানা নেই। কীভাবে এসব বদলাবে, জানা নেই সেটাও। আজ আমি বরং বিনিময় করবো কিছু অভিজ্ঞতা। কিছু ভুক্তভোগী নারীর বয়ান, যাদের সাথে বিভিন্ন সময়ে আমার আলাপ হয়েছে। অনুমতি সাপেক্ষেই কথাগুলো প্রকাশ করা হলো, নামগুলো কেবল বদলে দিলাম। বাকিটা পাঠকের বিবেচনা।

No comments:
Post a Comment