জাকার্তা, ১৩ এপ্রিল- মোহাম্মদ রায়হান। ১৩ বছর বয়সী এই কিশোরকে রীতিমতো পুজা করা শুরু করেছে স্থানীয় হিন্দুরা। অথচ কদিন আগেও স্কুলে গেলে বন্ধুবান্ধবরা তাকে ভীষণ উত্যক্ত করতো, চলতো মারধরও।
ঘটনা প্যাঁচ মনে হচ্ছে? আসলে ওই কিশোরের শরীরে প্রচুর লোম। এমনকী, মুখেও। এ ছাড়া ওই কিশোরের দুই ঠোঁট যথেষ্ট পুরু, দুই ভ্রু ক্রমশ মিলিয়ে গিয়েছে মাথার চুলের সঙ্গে। নাকটাও অসম্ভব রকমের চওড়া এবং থ্যাবড়া। এজন্যই সহপাঠীদের অনেকেই তাকে নেকড়ে বাঘ বলে ডাকে। বয়সে ছোট হলেও বেশ সহনশীলতা আছে এই কিশোরের। এসব ঘটনায় কিছু মনে করে না সে। এটাই তার নিয়তি বলেই মেনে নিয়েছে ওই কিশোর, অন্তত তার কথায় এমনটাই মনে হয়।
এর ঠিক উল্টো দিকও আছে তার জীবনে। যে কারণে তার সহপাঠীদের তাকে নেকড়ে বাঘ বলে মনে হয়, ঠিক একই কারণে রায়হানের গ্রামের লোকদের তাকে হনুমান বলে মনে হয়। শুধু তার গ্রাম নয়, আশপাশের বহু গ্রামের মানুষের কাছেই সে হিন্দুদের ভগবান ‘হনুমানজি’। ওই ‘ভক্ত’দের মতে, সে আসলে হনুমানজির এ যুগের অবতার। সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় মুসলমান ওই কিশোরের পুজাপাঠ।
রায়হান অবশ্য এটাতেও কিছু মনে করে না। তার কথায়, ‘কিছু মানুষ আমাকে দেখে হাসে। অন্যেরা আমার কাছে আশীর্বাদ চাইতে আসে। আমি এ সবে মোটেও গুরুত্ব দিই না। আমার খুব হাসি পায়, যখন দেখি আমাকে এক বার শুধু দেখবেন বলে অনেক সময় বহু দূর দূর গ্রাম থেকে মানুষজন আসেন।’
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর কালিমান্টানের একটি গ্রামেই ঘটেছে এই ঘটনা। অবশ্য নিজেকে দেবতা ভাবে কি না এমন প্রশ্নে রায়হানের সাফ জবাব, ‘বহু মানুষ ভাবেন আমি ভগবান এবং আমার বিশেষ ক্ষমতা আছে। আসলে আমি তো অন্যদের থেকে একেবারেই আলাদা দেখতে। আর সে কারণে কেউ যদি এসব ভাবে, আমি তো সেই ভাবনা আটকাতে পারব না।’

আসলে রায়হান জানে, চিকিত্সকেরা তাকে নিয়ে কী বলেছেন। তারা বলেছেন, হরমনের সমস্যার কারণেই তার শরীরে এত লোম। এ জন্য লেজার চিকিত্সার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। কিন্তু, রায়হানের স্বামীহারা মায়ের পক্ষে অত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব। রায়হানকে পুজা করতে দেয়ার সম্মতি দেয়া ছাড়া তার আর কিছুই করার উপায় নেই তাদের!
সূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট
ঘটনা প্যাঁচ মনে হচ্ছে? আসলে ওই কিশোরের শরীরে প্রচুর লোম। এমনকী, মুখেও। এ ছাড়া ওই কিশোরের দুই ঠোঁট যথেষ্ট পুরু, দুই ভ্রু ক্রমশ মিলিয়ে গিয়েছে মাথার চুলের সঙ্গে। নাকটাও অসম্ভব রকমের চওড়া এবং থ্যাবড়া। এজন্যই সহপাঠীদের অনেকেই তাকে নেকড়ে বাঘ বলে ডাকে। বয়সে ছোট হলেও বেশ সহনশীলতা আছে এই কিশোরের। এসব ঘটনায় কিছু মনে করে না সে। এটাই তার নিয়তি বলেই মেনে নিয়েছে ওই কিশোর, অন্তত তার কথায় এমনটাই মনে হয়।
এর ঠিক উল্টো দিকও আছে তার জীবনে। যে কারণে তার সহপাঠীদের তাকে নেকড়ে বাঘ বলে মনে হয়, ঠিক একই কারণে রায়হানের গ্রামের লোকদের তাকে হনুমান বলে মনে হয়। শুধু তার গ্রাম নয়, আশপাশের বহু গ্রামের মানুষের কাছেই সে হিন্দুদের ভগবান ‘হনুমানজি’। ওই ‘ভক্ত’দের মতে, সে আসলে হনুমানজির এ যুগের অবতার। সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় মুসলমান ওই কিশোরের পুজাপাঠ।
রায়হান অবশ্য এটাতেও কিছু মনে করে না। তার কথায়, ‘কিছু মানুষ আমাকে দেখে হাসে। অন্যেরা আমার কাছে আশীর্বাদ চাইতে আসে। আমি এ সবে মোটেও গুরুত্ব দিই না। আমার খুব হাসি পায়, যখন দেখি আমাকে এক বার শুধু দেখবেন বলে অনেক সময় বহু দূর দূর গ্রাম থেকে মানুষজন আসেন।’
ইন্দোনেশিয়ার উত্তর কালিমান্টানের একটি গ্রামেই ঘটেছে এই ঘটনা। অবশ্য নিজেকে দেবতা ভাবে কি না এমন প্রশ্নে রায়হানের সাফ জবাব, ‘বহু মানুষ ভাবেন আমি ভগবান এবং আমার বিশেষ ক্ষমতা আছে। আসলে আমি তো অন্যদের থেকে একেবারেই আলাদা দেখতে। আর সে কারণে কেউ যদি এসব ভাবে, আমি তো সেই ভাবনা আটকাতে পারব না।’
আসলে রায়হান জানে, চিকিত্সকেরা তাকে নিয়ে কী বলেছেন। তারা বলেছেন, হরমনের সমস্যার কারণেই তার শরীরে এত লোম। এ জন্য লেজার চিকিত্সার পরামর্শও দিয়েছেন তারা। কিন্তু, রায়হানের স্বামীহারা মায়ের পক্ষে অত টাকা জোগাড় করা অসম্ভব। রায়হানকে পুজা করতে দেয়ার সম্মতি দেয়া ছাড়া তার আর কিছুই করার উপায় নেই তাদের!
সূত্র : নিউইয়র্ক পোস্ট
No comments:
Post a Comment