১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসে কাশ্মিরে বনধের ডাক দিয়েছে যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্ব। সাইয়্যেদ আলী শাহ গিলানী, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক, জেকেএলএফ চেয়ারম্যান ইয়াসীন মালিকের সমন্বিত যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ওই বনধের ডাক দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কাশ্মিরে আন্দোলনরত বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও ওইদিন বনধের ডাক দেয়া হয়েছে।
হুররিয়াত কনফারেন্স কাশ্মিরে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের এক তদন্ত দল কাশ্মিরে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে যখন কাশ্মিরি জনতার প্রকৃত অধিকারকে পদদলিত করা হচ্ছে। হুররিয়াত কনফারেন্সের একাংশের পক্ষ থেকে দিনটিকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়েছে। এরইমধ্যে হিজবুল মুজাহিদীনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কাশ্মিরের ত্রালসহ বিভিন্ন এলাকায় হুমকি পোস্টার দিয়ে অভিভাবক ও স্কুল-কলেজের পরিচালকদের সন্তানদের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে না পাঠাতে বলা হয়েছে।ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাশ্মির উপত্যকাজুড়ে উচ্চ সতর্কতা জারিসহ ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে নির্বিঘ্নে স্বাধীনতা দিবস পালনের জন্য বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানোসহ নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ত্রালের বিধায়ক ও পিডিপি’র সিনিয়র নেতা মুস্তাক আহমদ শাহ স্বাধীনতা দিবস বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, গভর্নর এন এন ভোরার কাছে আবেদন তিনি যেন পুলিশকে নির্দেশ দেন যাতে গেরিলাদের পরিবারের লোকজনদের যেন বিরক্ত না করা হয়। ওই সব পরিবারকে উতক্ত করলে, তাদের বাসায় তল্লাশি চালালে পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার পরিবর্তে আরো খারাপ হবে। এরফলে মানুষের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হবে। পুলিশ ত্রালের বিভিন্ন জায়গায় কিছু মানুষকে আটক করেছে যাদের মধ্যে গেরিলাদের আত্মীয়স্বজন রয়েছে।
মুস্তাক আহমদ বলেন, আমি ত্রালের মানুষজনের প্রতিনিধি। আমি মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। কিন্তু দুঃখের কথা হল পুলিশ আমার কথা শুনছে না। গেরিলাদের পরিবারের লোকজনদের আটক করা, তাদের বাসায় তল্লাশি চালানো বন্ধ না হলে এলাকায় সন্ত্রাসবাদ উন্নীত হবে।
পুলিশের পদক্ষেপে ক্ষোভ জানানোর জন্য তিনি স্বাধীনতা দিবস বয়কটের ডাক দিয়েছেন বলেও সাফাই দিয়েছেন বিধায়ক মুস্তাক আহমদ।
No comments:
Post a Comment