নোবেল পদক গলায় ঝোলাতে চান ? যুগান্তকারী কোনও আবিষ্কারের প্রয়োজন নেই। দরকার নেই বিশ্ব শান্তি ফেরাতে উল্লেখযোগ্য কোনও কাজেরও। পকেটে টাকা থাকলেই ইচ্ছাপূরণ হবে। ১১৪ বছর পুরনো এই ঐতিহ্যশালী পদক প্রাপকদের পরিবার নিলামে তুলছে নোবেলের মেডেল।
শুধু প্রাপকদের মৃতু্যর অপেক্ষা, মালিক মারা গেলেই লক্ষ–কোটি ডলারে বিকোচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন পদক। যেমন, ১৯২৬ সালে ফ্রান্স–জার্মানি যুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন ফরাসি প্রশাসক আরিস্তিদ ব্রিয়াঁদ। ২০০৮ সালে সেই পদকই নিলামে বিক্রি হয় মাত্র ১২,২০০ ইউরোতে। তবে নিলামে সেরা দাম পেয়েছেন আমেরিকার বিতর্কিত চিকিৎসক জেমস ওয়াটসন।
নিজেই বিক্রি করেছেন নোবেলের স্মারক, দাম উঠেছে ৪.৭৬ মিলিয়ন ডলার। নোবেলের জন্য পাওয়া টাকার থেকে বিক্রির টাকা অনেকটাই বেশি। কিন্তু হঠাৎ নোবেল বিক্রি করার ধুম পড়ল কেন ? অনেকেরই মত, কয়েক প্রজন্ম পরে এসে নোবেলজয়ীর নাম হয়ত অনেকেরই মনে নেই, আর সেই পুরস্কার দিয়ে পেটও ভরে না। কিন্তু একবার বাজারে বিক্রি করতে পারলে হেসে–খেলে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া আর কেউ আটকাতে পারে না। এই মানসিকতাই আসলে বিক্রির দিকে টানছে অনেককে।
শুধু প্রাপকদের মৃতু্যর অপেক্ষা, মালিক মারা গেলেই লক্ষ–কোটি ডলারে বিকোচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন পদক। যেমন, ১৯২৬ সালে ফ্রান্স–জার্মানি যুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে শান্তির জন্য নোবেল পেয়েছিলেন ফরাসি প্রশাসক আরিস্তিদ ব্রিয়াঁদ। ২০০৮ সালে সেই পদকই নিলামে বিক্রি হয় মাত্র ১২,২০০ ইউরোতে। তবে নিলামে সেরা দাম পেয়েছেন আমেরিকার বিতর্কিত চিকিৎসক জেমস ওয়াটসন।
নিজেই বিক্রি করেছেন নোবেলের স্মারক, দাম উঠেছে ৪.৭৬ মিলিয়ন ডলার। নোবেলের জন্য পাওয়া টাকার থেকে বিক্রির টাকা অনেকটাই বেশি। কিন্তু হঠাৎ নোবেল বিক্রি করার ধুম পড়ল কেন ? অনেকেরই মত, কয়েক প্রজন্ম পরে এসে নোবেলজয়ীর নাম হয়ত অনেকেরই মনে নেই, আর সেই পুরস্কার দিয়ে পেটও ভরে না। কিন্তু একবার বাজারে বিক্রি করতে পারলে হেসে–খেলে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া আর কেউ আটকাতে পারে না। এই মানসিকতাই আসলে বিক্রির দিকে টানছে অনেককে।
No comments:
Post a Comment