চিকিত্সক, নার্স সবাই পিছনে পিছনে দৌড়লেন তাঁকে ধরতে। সিকিউরিটি গার্ডরাও বাদ পড়লেন না। িন্তু সবাইকে পাশ কাটিয়ে সোজা রাস্তায় উঠে পড়লেন। হাতে তখনও তাঁর স্যালাইনের নল। শুধু তাই নয়, বাইরে তখন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৬ ডিগ্রি নীচে। রোগীর গায়ে মাত্র একটা পাতলা চাদর। অবশেষে সিকিউরিটি গার্ডরা তাঁকে ধরে নিয়ে এসে ফের হাসপাতালে ঢুকিয়ে দেন। রাশিয়ায় বিয়ার আর ভডকা খুব প্রিয় পানীয়। এই দু’টো পানীয়ের জন্য এঁরা যা খুশি করতে পারে। তার প্রমাণ দিলেন এই রোগী নিজেই।
চিকিত্সক, নার্স সবাই পিছনে পিছনে দৌড়লেন তাঁকে ধরতে। সিকিউরিটি গার্ডরাও বাদ পড়লেন না। িন্তু সবাইকে পাশ কাটিয়ে সোজা রাস্তায় উঠে পড়লেন। হাতে তখনও তাঁর স্যালাইনের নল। শুধু তাই নয়, বাইরে তখন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৬ ডিগ্রি নীচে। রোগীর গায়ে মাত্র একটা পাতলা চাদর। অবশেষে সিকিউরিটি গার্ডরা তাঁকে ধরে নিয়ে এসে ফের হাসপাতালে ঢুকিয়ে দেন। রাশিয়ায় বিয়ার আর ভডকা খুব প্রিয় পানীয়। এই দু’টো পানীয়ের জন্য এঁরা যা খুশি করতে পারে। তার প্রমাণ দিলেন এই রোগী নিজেই।
No comments:
Post a Comment