বার্ন, ০৩ অক্টোবর- সাধারণ মানের দেখতে এই ঘড়িটির দাম কত হতে পারে আপনার অনুমান। তার ওপর যদি বলে দেয়া হয় ঘড়িটির মধ্যে কোনও মূল্যবান পাথর, হীরা কিংবা সোনা বসানো হয়নি। তারপরও আপনি তাকে কত বলবেন সর্বোচ্চ। বড় জোর ১০-১২ হাজার বলবেন আপনি।
আপনার ধারণা ভুল হবে যদি এমনটা বলেন। ছবির ঘড়িটির দাম ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ডলার যা বাংলাদেশের টাকায় ৬ কোটি ৫২ লক্ষ। সুইজারল্যান্ডের নির্মিত এই ঘড়িটির মাত্র ৬ টি মডেল বছরে বের হয়। গ্রুভেল ফোরজি কোম্পানি কোয়াড্রোপেল টোরবিলিয়ন নামের এই ঘড়িটির প্রস্ততকারক।
ঘড়িটি কীভাবে নির্মিত হবে এটি চিন্তা করতেই প্রস্তুতকারীদের ৫ বছর সময় লেগেছে। সুইজারল্যান্ডের ল্যা চুক্স-ডি-ফোনডসে এই ঘড়িটির নির্মাণ কারাখানা। ২০০৪ সালে এই কারখানা তৈরি হয়। বছরে ৫টি থেকে ৬টি ঘড়ি বানানো হয়। এ ঘড়ির দাম এত হওয়ার কারণ। এটি সবচেয়ে সঠিক সময় দেখায়। এর ভেতরে যে ধরনের কারিগরি কাজ করা হয়েছে তা অনেকটা জটিল। এর স্ত্রু গুলো ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক। এ কারণে এই হাতঘড়ির দাম এত বেশি।
আপনার ধারণা ভুল হবে যদি এমনটা বলেন। ছবির ঘড়িটির দাম ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ডলার যা বাংলাদেশের টাকায় ৬ কোটি ৫২ লক্ষ। সুইজারল্যান্ডের নির্মিত এই ঘড়িটির মাত্র ৬ টি মডেল বছরে বের হয়। গ্রুভেল ফোরজি কোম্পানি কোয়াড্রোপেল টোরবিলিয়ন নামের এই ঘড়িটির প্রস্ততকারক।
ঘড়িটি কীভাবে নির্মিত হবে এটি চিন্তা করতেই প্রস্তুতকারীদের ৫ বছর সময় লেগেছে। সুইজারল্যান্ডের ল্যা চুক্স-ডি-ফোনডসে এই ঘড়িটির নির্মাণ কারাখানা। ২০০৪ সালে এই কারখানা তৈরি হয়। বছরে ৫টি থেকে ৬টি ঘড়ি বানানো হয়। এ ঘড়ির দাম এত হওয়ার কারণ। এটি সবচেয়ে সঠিক সময় দেখায়। এর ভেতরে যে ধরনের কারিগরি কাজ করা হয়েছে তা অনেকটা জটিল। এর স্ত্রু গুলো ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক। এ কারণে এই হাতঘড়ির দাম এত বেশি।
No comments:
Post a Comment