মানুষের শখের যেনো কোনো শেষ নেই। একেকজনের একেক রকম শখ। কারো শখ গান করা, ঘুরে বেড়ানো, নৌকাভ্রমণ, বিমানে চড়া। কেউ আবার নতুন গাড়ি হাকাতে ভালোবাসেন। কিন্তু বেকুবপনার মতো বিচিত্র শখও কারো থাকে, ক্রেমার ক্যানডারের কাণ্ড না দেখলে বোঝা যাবে না। তা কী এমন কাণ্ড ঘটালেন ব্রিটিশ এই যুবক? সেটি শুনলে রীতিমত চমকে উঠবেন।
ক্রেমার ক্যানডারের ইচ্ছে জাগল তিনি মরিচের সসে গোসল করবেন। ইচ্ছেমত কাজ, তীব্র ঝালের এক হাজার ২৫০ বোতল সস একটি বাথটাবে ঢাললেন। কিন্তু কেনো জানি তার মনে হলো, এতেও খুব একটা ফিলিংস আসবে না। এরপর তাতে ছিটিয়ে দিলেন বেশ কিছু পরিমাণ গুঁড়া মরিচ।
শরীর ডুবিয়েই টের পেলেন মরিচ কি জিনিসবন্ধুর হাতে ক্যামেরা দিয়ে নেমে পড়লেন মরিচের সসে। শরীরটা নামানোর সঙ্গেই টের পেলেন। কিন্তু ইচ্ছের দৃঢ়তা বাস্তবায়নে ক্রেমার মাথাও ডুবিয়ে দিলেন। দেড় মিনিটের বেশি তার এ গোসল স্থায়ী হয়নি।
কিন্তু এমন কাণ্ডের পর কি হতে পারে তার মুখেই শোনা যাক। ক্রেমার এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে 'যন্ত্রণাময় গোসল' বলে আখ্যায়িত করেছেন। মরিচের সস থেকে উঠে পানিতে গোসল সেরেও তার রেশ গেছে কয়েক ঘণ্টা।
ক্রেমার লাল সসে শরীরের নিচের দিকটা আগে নামান। সঙ্গে সঙ্গে স্পর্শকাতর অঙ্গের নাম মুখে এনে যন্ত্রণায় ‘ঈশ্বর’ বলে চিৎকার দিয়ে ওঠেন। এরপর পুরো শরীর সেখানে ডুবিয়ে দেন। কিন্তু দমে না গিয়ে গোসল সেরে বসলেন।
এ সময় বন্ধুর কাছে তাওয়েল চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন ক্রেমার, ‘শেষ পর্যন্ত আমি সফল।’ পরে বেশ কয়েক ঘণ্টা এর রেশ টের পান ক্রেমারএ গোসলের অনুভূতি সম্পর্কে পরে ক্রেমার বলেন, “মরিচের রেশ পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা থেকেছে। এ সময়ে আমার মনে হয়েছে, কেউ আমাকে নরকে ছুঁড়ে ফেলেছে এবং আমি সেখান থেকে ফিরে এসেছি।”
তিনি আরো বলেন, “আমি এখনও শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রতঙ্গে ঝালের অনুভূতি পাচ্ছি। এ ঘটনায় বেশ ভীত হয়ে পড়ি এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই। এটি আমার নাক ও চোখে প্রভাব ফেলেছে।
তবে এটিকে ক্রেমার ‘গ্রেটেস্ট আইডিয়া’ এবং তার পক্ষেই করা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন। এই মরিচ গোসলের ভিডিও ক্রেমার পরে ইউটিউবে আপলোড করেন। সেটি ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ৩৬ লাখেরও বেশি লোক দেখেছে। -সংবাদমাধ্যম
ক্রেমার ক্যানডারের ইচ্ছে জাগল তিনি মরিচের সসে গোসল করবেন। ইচ্ছেমত কাজ, তীব্র ঝালের এক হাজার ২৫০ বোতল সস একটি বাথটাবে ঢাললেন। কিন্তু কেনো জানি তার মনে হলো, এতেও খুব একটা ফিলিংস আসবে না। এরপর তাতে ছিটিয়ে দিলেন বেশ কিছু পরিমাণ গুঁড়া মরিচ।
শরীর ডুবিয়েই টের পেলেন মরিচ কি জিনিসবন্ধুর হাতে ক্যামেরা দিয়ে নেমে পড়লেন মরিচের সসে। শরীরটা নামানোর সঙ্গেই টের পেলেন। কিন্তু ইচ্ছের দৃঢ়তা বাস্তবায়নে ক্রেমার মাথাও ডুবিয়ে দিলেন। দেড় মিনিটের বেশি তার এ গোসল স্থায়ী হয়নি।
কিন্তু এমন কাণ্ডের পর কি হতে পারে তার মুখেই শোনা যাক। ক্রেমার এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে 'যন্ত্রণাময় গোসল' বলে আখ্যায়িত করেছেন। মরিচের সস থেকে উঠে পানিতে গোসল সেরেও তার রেশ গেছে কয়েক ঘণ্টা।
ক্রেমার লাল সসে শরীরের নিচের দিকটা আগে নামান। সঙ্গে সঙ্গে স্পর্শকাতর অঙ্গের নাম মুখে এনে যন্ত্রণায় ‘ঈশ্বর’ বলে চিৎকার দিয়ে ওঠেন। এরপর পুরো শরীর সেখানে ডুবিয়ে দেন। কিন্তু দমে না গিয়ে গোসল সেরে বসলেন।
এ সময় বন্ধুর কাছে তাওয়েল চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন ক্রেমার, ‘শেষ পর্যন্ত আমি সফল।’ পরে বেশ কয়েক ঘণ্টা এর রেশ টের পান ক্রেমারএ গোসলের অনুভূতি সম্পর্কে পরে ক্রেমার বলেন, “মরিচের রেশ পরবর্তী কয়েক ঘণ্টা থেকেছে। এ সময়ে আমার মনে হয়েছে, কেউ আমাকে নরকে ছুঁড়ে ফেলেছে এবং আমি সেখান থেকে ফিরে এসেছি।”
তিনি আরো বলেন, “আমি এখনও শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রতঙ্গে ঝালের অনুভূতি পাচ্ছি। এ ঘটনায় বেশ ভীত হয়ে পড়ি এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হই। এটি আমার নাক ও চোখে প্রভাব ফেলেছে।
তবে এটিকে ক্রেমার ‘গ্রেটেস্ট আইডিয়া’ এবং তার পক্ষেই করা সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন। এই মরিচ গোসলের ভিডিও ক্রেমার পরে ইউটিউবে আপলোড করেন। সেটি ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ৩৬ লাখেরও বেশি লোক দেখেছে। -সংবাদমাধ্যম
No comments:
Post a Comment