ভগ্নদশা মুনি সেতুর!ভেঙে যাবে না তো?? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 8 September 2018

ভগ্নদশা মুনি সেতুর!ভেঙে যাবে না তো??




মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগণা: মাঝের হাটের ব্রিজ ভেঙে পরার পর আতঙ্কে দিন গুনছে দক্ষিন সুন্দরবনবাসি। রায়দিঘির মুনি সেতু বেহাল দশায় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় দিন গুনছে অনেকে । সংস্করন না হলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে যাবে দক্ষিন সুন্দরবনের রায়দিঘির মুনি সেতুর দীর্ঘিয়মান ব্রিজ। দক্ষিন সুন্দরবনের দীর্ঘায়মান নদী  মুনি নদী। যে নদী কয়েক লক্ষ্য মানুষের এক সময়  যোগাযোগে সমস্যায় ফেলেছিল ঠিকই। আজ সেই সমস্যা আর নেই।  ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নির্মান করা হয় মুনি ব্রিজ । ২০০৮ সালে তৎকালিন বাম শাসিত মূখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য উদ্বোধন করেন দীর্ঘায়মান ব্রিজটির।  ভালো যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে উঠলেও সংস্করনের অভাবে যাতায়াত নিয়ে সমস্যায় পরেছেন নিত্য যাত্রী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা। উদ্বোধনের ছবছর পর কোথাও পলেস্তার খোসা রেলিং। কোথাও কংক্রিটের ঢালাই উঠে গিয়ে লোহার হাড় বেড়িয়ে পরেছে।  ব্রিজের পিচ উঠে গর্ত হয়েছে।  কোথাও দশ ইঞ্চি । কোথাওবা তার থেকে অনেক বেশি । ফলে যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পরতে হচ্ছে গাড়ি চালক থেকে যাত্রীদের । মুনি ব্রিজ ভাঙলে বিচ্ছিন্ন হবে রায়দিঘি কুলতলি যোগাযোগ ব্যবস্থা । যার ফলে কয়েক হাজার মানুষ সমস্যার সম্মুখিন হবে । মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকে রায়দিঘি ও কঙ্কোনদিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের মুনি ব্রিজটি নির্মান হয় বাম আমলে ।  সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ ও পশ্চিমবঙ্গে সরকারের যৌথ উদ্দ্যোগে ১১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে দীর্ঘায়মান সেতুর উদ্বোধনের পর যোগাযোগ স্বচ্ছল হয়েছে ।

৪১৮ মিটার লম্বা  ৭৬ মিটার চওড়া ব্রিজের উপর দিয়ে  এগারোটি  অঞ্চলের মানুষের পাশাপাশি কুলতলি ক্যানিং জয়নগর এলাকার মানুষরা যাতায়াত করেন।বেহাল মুনি ব্রিজটি এখন অভিশপ্ত ব্রিজ নামে পরিচিতি পেয়েছে এলাকাবাসিদের কাছে।  উদ্বোধনের পর মথুরাপুর ২ নং পঞ্চায়েত সমিতির দেখবাল করার দায়িত্ব পেলেও ঠিক মতোন দেখা শুনা করেনা বলে অভিযোগ স্থানিয়দের । দিনে একশর বেশি ইঞ্জিন ভ্যান , টোটো , অটো আর মালবাহি দশ টনের বেশি ট্রাক, বাস পারাপারে ভগ্নাবশেষসের রুপ  এখন মুনি ব্রিজের। ব্রিজে ৫৩ টি ইলেকট্রিক পোষ্টের আলো থাকলেও রাতে বেশির ভাগ আলো বন্ধ ফলে যাতায়াতে যেমন সমস্যা তেমনি দুস্কৃতিদের দৌরাত্বে অতিষ্ট ব্রিজ থেকে আসা যাত্রীদের। স্থানিয়রা  বেহাল ব্রিজের সংস্করনের দাবি রেখেছেন। একাধিকবার জানানো হয়েছে কঙ্কন দিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতকে।  স্থানিয় প্রশাসনও সুন্দরবন উন্নয়ন দফতর স্থানিয় পঞ্চায়েত সমিতিকে জানিয়ে আজও সমাধান মেলেনি । ফলে আতঙ্কে পারাপার হতে হচ্ছে যাত্রী থেকে সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের । অবিলম্বে সংস্করন করে যাতায়াতের সুব্যবস্থা করেদিক সরকার । দাবি প্রত্যন্ত এলাকার সুন্দরবন বাসিদের । সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু প্রত্যাশা আর প্রতিশ্রুতিতে বিমুখ সুন্দরবন বাসিদের কাছে স্থানিয় প্রশাসন। বেহাল দশার ঘটনার কথা শিকার করেছে প্রাক্তন কঙ্কোন দিঘি প্রধান । ভারি গাড়ি গিয়ে এমন রুপ ব্রিজের । ব্রিজ বেহালের সব দশার দায় এখন পুলিশ থেকে স্থানিয় প্রশাসনের । কিন্তু দুর্ঘটনা হলে তার দায় কে নেবে । উঠছে প্রশ্ন ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad