ছবিঃ বিভাস লোধ
অবশেষে খুলে গেল সেভকের রাস্তা । তবে বড় গাড়ি না চালিয়ে ছোট গাড়ি সেভক দিয়ে চলাচল করাচ্ছে প্রশাসন।
গত মঙ্গলবার ভোরে সেভকের মংপং এর কাছে বিরাট ধস পরে। সেই কারনে মংপং এর কাছে জাতীয় সড়ক প্রায় ৫০ মিটার বসে যায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে সেবক দিয়ে শিলিগুড়ি সাথে ডুয়ার্সের এবং ভুটানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই যুদ্ধকালিন তৎপরতায় কাজ শুরু করে জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষ। রাতের দিকে কিছু ছোট গাড়িও চলে এই রাস্তা দিয়ে। তবে রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বসে যায় সেই রাস্তা। যার ফলে সকালের দিকে বেশ কিছুক্ষন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রশাসন। চলে যুদ্ধকালিন তৎপরতায় কাজ। দুটি জেসিপি দিয়ে, রাস্তার বসে যাওয়া অংশে বালি পাথর ফেলে উচু করা হয়। এরপর থেকে শুরু হয় গাড়ি চলাচল। তবে খুব ধীর গতিতে চলছে গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে। সেই কারনে রাস্তার দুধারে গাড়ির লাইন পরে গেছে। তবে আবার বৃষ্টি শুরু হওয়া সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। কারন বৃষ্টি হলেই রাস্তা বসে যাচ্ছে। তখন আবার গাড়ি বন্ধ করতে হচ্ছে, রাস্তা ঠিক করার জন্য।
তবে কিছুক্ষন আগে গাড়ি চলাচল শুরু হওয়ায় খুশি গাড়ি চালক এবং যাত্রীরা।
তবে যে ভাবে বৃষ্ট হচ্ছে, তাতে যে কোন সময় এই পাহারে কিছু অংশ ভেঙ্গে তিস্তা গর্ভে চলে যেতে পারে। তখন বহু দিনের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলে মনে করছে অনেকে।
অবশেষে খুলে গেল সেভকের রাস্তা । তবে বড় গাড়ি না চালিয়ে ছোট গাড়ি সেভক দিয়ে চলাচল করাচ্ছে প্রশাসন।
গত মঙ্গলবার ভোরে সেভকের মংপং এর কাছে বিরাট ধস পরে। সেই কারনে মংপং এর কাছে জাতীয় সড়ক প্রায় ৫০ মিটার বসে যায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে সেবক দিয়ে শিলিগুড়ি সাথে ডুয়ার্সের এবং ভুটানের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই যুদ্ধকালিন তৎপরতায় কাজ শুরু করে জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষ। রাতের দিকে কিছু ছোট গাড়িও চলে এই রাস্তা দিয়ে। তবে রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বসে যায় সেই রাস্তা। যার ফলে সকালের দিকে বেশ কিছুক্ষন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রশাসন। চলে যুদ্ধকালিন তৎপরতায় কাজ। দুটি জেসিপি দিয়ে, রাস্তার বসে যাওয়া অংশে বালি পাথর ফেলে উচু করা হয়। এরপর থেকে শুরু হয় গাড়ি চলাচল। তবে খুব ধীর গতিতে চলছে গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে। সেই কারনে রাস্তার দুধারে গাড়ির লাইন পরে গেছে। তবে আবার বৃষ্টি শুরু হওয়া সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। কারন বৃষ্টি হলেই রাস্তা বসে যাচ্ছে। তখন আবার গাড়ি বন্ধ করতে হচ্ছে, রাস্তা ঠিক করার জন্য।
তবে কিছুক্ষন আগে গাড়ি চলাচল শুরু হওয়ায় খুশি গাড়ি চালক এবং যাত্রীরা।
তবে যে ভাবে বৃষ্ট হচ্ছে, তাতে যে কোন সময় এই পাহারে কিছু অংশ ভেঙ্গে তিস্তা গর্ভে চলে যেতে পারে। তখন বহু দিনের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলে মনে করছে অনেকে।

No comments:
Post a Comment