অর্ক রায় ,মালদা : দীর্ঘ ৪০ বছর পর অবশেষে সংস্কারের সিদ্ধান্ত ভারতবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ সেতু ফারাক্কার।উত্তরবঙ্গ ও উত্তরপূর্ব ভারত ও তো বটেই বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ এই ফরাক্কা সেতু। এই ব্রিজই এখন মাথাব্যথার কারণ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সমীক্ষা চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা সেন্ট্রাল রোড রিসার্চ ইনস্টিটিউট। তাতেই ধরা পড়েছে সেতুর রোগ। - ২.৫ কিলোমিটার লম্বা এই সেতু - রেলিং ভাঙা - সেতুর রাস্তা খারাপ - সেতুর বিয়ারিং-সহ অন্যান্য অংশও বেহাল তড়িঘড়ি রাজ্য সরকার ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
মঙ্গলবার, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে সংস্কার শুরু হবে ৷ সেসময় ৬ মাস সেতুতে যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে ৷ ভারী গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে ৷ বাস, ছোট গাড়ি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যবাহী গাড়ি আটকান হবে না ৷ তবে সংস্কারের সময় পণ্যবাহী গাড়িগুলি কোথা দিয়ে ঘোরান হবে তা নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি হয়নি।
৪০ বছর আগে শেষবার সংস্কার হয় সেতুটির। মঙ্গলবারের বৈঠকে পেশ হওয়া রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১২ সালে ফরাক্কা সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার গাড়ি চলত ৷ ২০১৮ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রতিদিন ১২ হাজার ৷ প্রতিদিন গাড়ির চাপ বাড়তে দেখেই, তড়িঘড়ি ব্রিজ সংস্কারের সিদ্ধান্ত।
পাশেই নতুন সেতু তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। সেই কাজও এবছরই শুরু হতে পারে। সংস্কারের সময় পণ্য পরিবহণে সুবিধার জন্য, অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রেন এবং যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা চালু করা হবে। এই সংস্কারের কাজের জন্য অন্তত ছ মাস ফারাক্কা সেতুর ওপর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে কিভাবে সেটা করা হবে তা এখনো ঠিক না হলেও ব্রীজের উপরে যান চলাচল দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রিত হলে সড়ক যোগে যে একটা বড় প্রভাব পড়বে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।





No comments:
Post a Comment