এক স্কুল ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা এলাকায়।ঘটনাটি ঘটেছে কুলপির জামবেড়িয়ায়। মৃতার নাম সোমনাথ রুইদাস (১৩)।
জানা গিয়েছে, সোমনাথ পড়ত ঢোলাহাটের জামতলা হাইস্কুলে। দেশ বন্ধু শিশু কল্যাণ আশ্রমে থেকে পড়াশোনা করত । বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা নাগাদ আশ্রমের ৩ প্রতিনিধি সোমনাথের বাড়িতে আসেন। তাঁরা এসে সোমনাথের মৃত্যু সংবাদ দেয়। হস্টেলের পুকুরে স্নান করতে নেমে সোমনাথের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় তাঁরা। কিন্তু সাঁতার জানা সোমনাথের কি করে জলে ডুবে মৃত্যু হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পরিবারের লোকজন। এরপর আশ্রমের ৩ প্রতিনিধিকে আটকে রাখেন সোমনাথের প্রতিবেশীরা। খবর পেয়ে কুলপি থানার পুলিশ আসে সোমনাথের বাড়িতে। পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সোমনাথের পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। আশ্রমের ৩ প্রতিনিধিকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশ-জনতা ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরে ৩ জনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
মৃত ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ, সোমনাথকে খুন করা হয়েছে। সোমনাথের দেহটি কুলপি ব্লক হাসপাতাল থেকে ডায়মন্ড হারবার মর্গে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সোমনাথের দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তবে এদিন রাত পর্যন্ত কুলপি থানায় কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি। পুলিশ আশ্রম কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
পঞ্চম শ্রেণি থেকে সোমনাথ এই স্কুলে পড়ছে। সোমনাথের বাবা-মা সোনারপুরে থাকেন। জামবেড়িয়াতে ঠাকুমার কাছেই সে ছোট থেকে মানুষ। পরে আশ্রমে চলে যায়। এদিন সোমনাথের ঠাকুমা কানন রুইদাস বলেন,‘ আমার নাতি সাঁতার জানত। কিন্তু ওরা এসে বলছে জলে ডুবে মারা গেছে। কোন আগাম খবরও দেয়নি। ওকে খুন করা হয়েছে। পুলিশের কাছে আমরা সঠিক বিচার চাইছি।"

No comments:
Post a Comment