গাড়িতে ঘুম এলে যা করবেন - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 16 September 2018

গাড়িতে ঘুম এলে যা করবেন



প্রতিদিনই আমাদের গাড়িতে চড়ে যাতায়াত করতে হয়। ভ্রমণ, অফিসে যাওয়া, বাড়ি ফেরা, ব্যবসাসহ সব কাজেই গাড়ির প্রয়োজন হয়। কিন্তু গাড়িতে উঠে সিটে বসলে অনেকেরই ঘুম আসে। কেউ কেউ সিটে বসেই আয়েশ করে টানা একটা ঘুম দিয়ে নেন। গাড়িতে ঘুমানো কারো কারো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গণপরিবহনে এই ঘুমের প্রবণতা বেশি বলে মনে হয়।
ঘুমের কারণ: অনেক মানুষের খুব দ্রুত ঘুম চলে আসে। তা গাড়ি, অফিস বা বাসা- যেখানেই হোক না কেন? শরীর একটু বিশ্রাম পেলেই ‘ফোস ফোস’ শব্দে ঘুমাতে থাকেন। তবে এই ঘুমের জন্য শারীরিক দুর্বলতা, রাতে পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অসুস্থতা, পরিশ্রমে বেশি ক্লান্তিকে দোষারোপ করা হয়। এছাড়া অতিরিক্ত শব্দ, দীর্ঘক্ষণ ঝাঁকুনি স্নায়ুকে দুর্বল করে দেয়। ফলে ঘুম চলে আসে। কখনো কখনো এক জায়গায় অনেকক্ষণ হেলান দিয়ে বসে থাকলেও ঘুম আসে। যদিও ঘুম হচ্ছে মস্তিষ্কের বিশ্রাম। মস্তিষ্ক বিশ্রাম পেলে ঘুম আসাটা স্বাভাবিক।
গাড়িতে ঘুমের ক্ষতি: গাড়িতে ঘুমানোর ফলে অনেক রকমের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে গণপরিবহনে ঘুমানো আসলেই নিরাপদ নয়। এতে সঙ্গে থাকা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র খোয়া যেতে পারে। মাথা বা হাত জানালার বাইরে চলে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নির্ধারিত গন্তব্য পার হয়ে বহুদূর চলে যেতে পারেন। সড়ক দুর্ঘটনার সময় অবচেতন থাকার ফলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হতে পারে। প্রাইভেটকার চালানো অবস্থায় ঘুমালে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বিরক্তির কারণ: গণপরিবহনে ঘুম আসাটা সত্যিই বিরক্তিকর। সেটা নিজের জন্য যেমন; তেমন বিরক্তিকর সঙ্গীর জন্যও। পাশে বসা মানুষটি বিরক্ত হতে পারেন। কেননা ঘুমের ঘোরে হেলে পড়ে বার বার তাকে বিরক্ত করা হতে পারে। ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যাস থাকলেও পাশের জন বিরক্ত হতে পারে। হাত-পা ছুড়েও বিরক্ত করতে পারেন।
ঘুম তাড়ানোর উপায়: গাড়িতে ঘুম তাড়াতে হলে বাসায় পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে। যেহেতু একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের দরকার। গাড়িতে ওঠার পর মনের মধ্যে গন্তব্যের চিন্তা জাগ্রত রাখতে হবে। পাশাপাশি মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখতে হবে। সে ক্ষেত্রে বই বা পত্রিকা পড়তে পারেন। তা না হলে ফেসবুক চালান, স্মার্ট ফোনে মুভি বা নাটক দেখুন। সম্ভব হলে পাশের জনের সঙ্গে গল্প করুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad