কোথাও রক্তদান শিবির হলেই গোটা পরিবার সেই শিবিরে গিয়ে রক্তদান করেন। শুধু যে জেলায় এমন নয়, ফেসবুকে দেখে কলকাতার অ্যাপেলো–সহ রাজ্যের বাইরে গিয়েও রক্তদান করেছে এই পরিবার।
ভারতের পুরুলিয়া শহরের সাহেব বঁাধ রোডের বাসিন্দা ললিত কেজরিওয়াল, তাঁর স্ত্রী সালু কেজরিওয়াল ও কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী অনন্যা কেজরিওয়াল —রক্তদান শিবিরের খবর পেলেই ছুটে যান রক্ত দিতে।
ললিতবাবু ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ বার রক্তদান করেছেন, তাঁর স্ত্রী সালু প্রায় ৬০ বার রক্ত দিয়েছেন। মেয়েও এ নিয়ে তৃতীয়বার রক্ত দিয়েছেন। আর, ছোট ছেলের বয়স হয়নি বলে রক্তদান করা হয়ে ওঠেনি তার।
তবে ললিতবাবুর কথায়, ‘বয়স হলে ওকেও রক্তদান করাব।’ সম্প্রতি পুরুলিয়ায় একটি রক্তদান শিবিরে এই পরিবার রক্তদান করেন। সেখানে ছিলেন জেলাশাসক অলোকেশপ্রসাদ রায়।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘তদের দান করা রক্তে কত মানুষের জীবন বেঁচেছে!’ এমন কাজ করে চলায় ওই পরিবারের প্রশংসা করেন উপস্থিত সকলেই।
ভারতের পুরুলিয়া শহরের সাহেব বঁাধ রোডের বাসিন্দা ললিত কেজরিওয়াল, তাঁর স্ত্রী সালু কেজরিওয়াল ও কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী অনন্যা কেজরিওয়াল —রক্তদান শিবিরের খবর পেলেই ছুটে যান রক্ত দিতে।
ললিতবাবু ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ বার রক্তদান করেছেন, তাঁর স্ত্রী সালু প্রায় ৬০ বার রক্ত দিয়েছেন। মেয়েও এ নিয়ে তৃতীয়বার রক্ত দিয়েছেন। আর, ছোট ছেলের বয়স হয়নি বলে রক্তদান করা হয়ে ওঠেনি তার।
তবে ললিতবাবুর কথায়, ‘বয়স হলে ওকেও রক্তদান করাব।’ সম্প্রতি পুরুলিয়ায় একটি রক্তদান শিবিরে এই পরিবার রক্তদান করেন। সেখানে ছিলেন জেলাশাসক অলোকেশপ্রসাদ রায়।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘তদের দান করা রক্তে কত মানুষের জীবন বেঁচেছে!’ এমন কাজ করে চলায় ওই পরিবারের প্রশংসা করেন উপস্থিত সকলেই।
No comments:
Post a Comment