বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা নানা পাটেকারের বিরুদ্ধে যৌন হয়ারানির অভিযোগ তুলেছেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। এ নিয়ে সরগরম গোটা বলিউড। ইতিমধ্যে এই অভিযোগে তনুশ্রীর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন ফারহান আখতার, প্রিয়াঙ্কা চোপড়াসহ বেশ কয়েকজন তারকা। তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেন নানা পাটেকার। এদিকে শুধু নানা পাটেকার নয়, অতীতে বেশ কয়েকজন বলিউড তারকা যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। দেখা যাক কারা রয়েছেন এই দলে-
শাইনি আহুজা
‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ খ্যাত তারকা শাইনি আহুজার বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে গৃহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে আদালত বিভিন্ন সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আহুজার করা আবেদন আজও মুম্বাইয়ের উচ্চ আদালতে ঝুলছে।
অঙ্কিত তিওয়ারি
গায়ক অঙ্কিত তিওয়ারীর বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে তাঁর বান্ধবী নিধী খান্না অভিযোগ করেন, বিয়ের কথা বলে অঙ্কিত তাকে ধর্ষণ করেছে। অঙ্কিতের বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করেছিলেন নিধি। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন দিক থেকে হুমকি পেয়ে নাকি নিধি মামলা তুলে নিতে বাধ্য হন।
মিকা সিং
অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে চুমু খয়ে বিতর্কের জন্ম দেন সংগীতশিল্পী মিকা সিং। এক সময় নাকি মিকা-রাখি প্রেমও করতেন। ২০০৬ সালে নিজের জন্মদিনে রাখিকে জোর করে চুমু খেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল মিকার বিরুদ্ধে। এমনকি মিকার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলাও করেছিলেন রাখি। তবে রাখি নাকি প্রথমে তাঁকে চুমু খেয়েছিলেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেন মিকা।
মাধুর ভান্ডারকার
২০০৪ সালে প্রীতি জানি নামে এক মডেল মাধুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিল। কিন্তু অদ্ভুতভবে মাধুরকে খুনের হুমকি দিয়ে উল্টো ফেঁসে যায় ওই মডেল। আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়।
করিম মোরানি
‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ ছবির প্রযোজক করিম মোরানির বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল। ধর্ষণ করেছিলেন বলে ২৮ বছরের এক নারী অভিযোগ তোলেন তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু তিনি এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।
ইন্দ্র কুমার
‘ওয়ান্টেড’ ছবিতে সালমান খানের ছোট ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এই অভিনেতা। ২০১৪ সালে এক নারী মডেল তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন। চলচ্চিত্রে কাজ জুটিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই মডেলকে ধর্ষণ করা হয় বলে সে সময় তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন।
যশ ওয়াদালি
গায়ক যশ ওয়াদালির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ৪০ বছর বয়সী এক নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। মহিলার অভিযোগ, এক পার্টিতে যশ তার সঙ্গে অভদ্র আচরণ করেছিল। যখন তিনি বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন, তখন মদ্যপ অবস্হায় যশ হুমকি দিয়ে মারধর করতে শুরু করেন।
সুভাষ কাপুর
‘জলি এলএলবি’ খ্যাত এই পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন এক নারী সাংবাদিক ও মডেল। কিন্তু কোন ধরণের লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা দায়ের করেন নি পুলিশ।
‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ খ্যাত তারকা শাইনি আহুজার বিরুদ্ধে ২০০৯ সালে গৃহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে আদালত বিভিন্ন সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আহুজার করা আবেদন আজও মুম্বাইয়ের উচ্চ আদালতে ঝুলছে।
অঙ্কিত তিওয়ারি
গায়ক অঙ্কিত তিওয়ারীর বিরুদ্ধে ২০১৪ সালে তাঁর বান্ধবী নিধী খান্না অভিযোগ করেন, বিয়ের কথা বলে অঙ্কিত তাকে ধর্ষণ করেছে। অঙ্কিতের বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের করেছিলেন নিধি। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন দিক থেকে হুমকি পেয়ে নাকি নিধি মামলা তুলে নিতে বাধ্য হন।
মিকা সিং
অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্তকে চুমু খয়ে বিতর্কের জন্ম দেন সংগীতশিল্পী মিকা সিং। এক সময় নাকি মিকা-রাখি প্রেমও করতেন। ২০০৬ সালে নিজের জন্মদিনে রাখিকে জোর করে চুমু খেয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল মিকার বিরুদ্ধে। এমনকি মিকার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলাও করেছিলেন রাখি। তবে রাখি নাকি প্রথমে তাঁকে চুমু খেয়েছিলেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেন মিকা।
মাধুর ভান্ডারকার
২০০৪ সালে প্রীতি জানি নামে এক মডেল মাধুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিল। কিন্তু অদ্ভুতভবে মাধুরকে খুনের হুমকি দিয়ে উল্টো ফেঁসে যায় ওই মডেল। আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়।
করিম মোরানি
‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ ছবির প্রযোজক করিম মোরানির বিরুদ্ধেও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছিল। ধর্ষণ করেছিলেন বলে ২৮ বছরের এক নারী অভিযোগ তোলেন তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু তিনি এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।
ইন্দ্র কুমার
‘ওয়ান্টেড’ ছবিতে সালমান খানের ছোট ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন এই অভিনেতা। ২০১৪ সালে এক নারী মডেল তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন। চলচ্চিত্রে কাজ জুটিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই মডেলকে ধর্ষণ করা হয় বলে সে সময় তিনি খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন।
যশ ওয়াদালি
গায়ক যশ ওয়াদালির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ৪০ বছর বয়সী এক নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। মহিলার অভিযোগ, এক পার্টিতে যশ তার সঙ্গে অভদ্র আচরণ করেছিল। যখন তিনি বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন, তখন মদ্যপ অবস্হায় যশ হুমকি দিয়ে মারধর করতে শুরু করেন।
সুভাষ কাপুর
‘জলি এলএলবি’ খ্যাত এই পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন এক নারী সাংবাদিক ও মডেল। কিন্তু কোন ধরণের লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা দায়ের করেন নি পুলিশ।
No comments:
Post a Comment