চাকরি করেন বিমান সেবিকার কিন্তু যাত্রীদের সেবাটা একটু বেশিই দিয়ে ফেলেছিলেন এই সুন্দরী বিমান সেবিকা। আকাশেও রমরমা দেহ ব্যবসা! খদ্দের বিমানের পয়সাওয়ালা যাত্রী! দিনের পর দিন এই ভাবে মোটা অঙ্কের আয় করে আসছিল এক বিমান সেবিকা! অবশেষে এই এয়ারহোস্টসের কীর্তি ফাঁস হল! থাইল্যান্ডের এক তরুণী বিমান সেবিকা উড়ানের পর বিমানের টয়লেটে যাত্রীদের সঙ্গে দেহ ব্যবসা করে নিজের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এক এয়ারলাইন্সে ওই বিমানসেবিকা হিসেবে কাজ করতেন এই থাই সুন্দরী। গত দুই বছরে বিমান আকাশে উড়ার পর যাত্রীদের সঙ্গে টয়লেটে যৌন সম্পর্ক করে তিনি এক মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন বলে খবর৷
সার্ভিস চার্জ হিসেবে নিতেন গ্রাহক প্রতি ২০০০ ডলার

সম্প্রতি রাই আল ইয়াওম নামে আরবী ভাষার একটি ওয়েবসাইটে এই ধরনের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ওই তরুণী গাল্ফ এয়ারে কাজ করতেন। বিমানের যাত্রীদের কাছ থেকে সার্ভিস চার্জের অংশ হিসেবে তিনি এক মিলিয়ন ডলার কামিয়েছেন। দেহসেবা দিয়ে প্রতিবার এই থাই তরুণী বিমানসেবিকা এক একজন যাত্রীর কাছ থেকে দুই হাজার ডলার করে নিতেন।

বিমান সংস্থার প্রতিক্রিয়া

ওই থাই-সুন্দরী বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, অনেক যাত্রীর সঙ্গে চলন্ত বিমানের টয়লেটে তিনি যৌন সম্পর্কে গিয়েছেন। বিশেষ করে উপসাগরীয় ও যুক্তরাষ্ট্রের মত দীর্ঘ যাত্রায় বিষয়টি বেশি হত। এসব ঘটনা কোন এয়ারলাইন্সে হত তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে ওই তরুণীকে বরখাস্ত করেছে।

তবে প্রতিবেদনে তরুণীর পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। গত দুই বছরে তরুণী বিমানের টয়লেটে যাত্রীদের সঙ্গে কমপক্ষে পাঁচশত বারের মতো দৈহিক সম্পর্কে মিলিত হয়েছেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আপনারা কি ভাবেন, বিমানের কর্মীরা বুঝতে পারে না?

কখনো কখনো দূরপাল্লার বিমান যাত্রায় অপেক্ষা করতে না পেরে যুগলরা বিমানের বাথরুমে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এই ব্যাপারটি বেশ ভালোরকম বুঝতে পারেন বিমান কর্মীরা এবং তারপর যথাযথ ব্যবস্থাও নেয়। এরকমই একবার এক যুগল বিমানের বাথরুমে যৌন ক্রিয়ায় মেতেছিল, সেটা বুঝতে পেরে বিমান সেবিকা তৎক্ষণাত মাইকে ঘোষণা করেন, লেডিস এন্ড জেন্টলম্যান সবাই নব দম্পতিকে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানান যারা বাথরুমে এখন যৌন ক্রিয়ায় ব্যস্ত। এরপরই মেয়েটি লজ্জিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে।
ইউ. কে. তে রয়েছে কঠোর আইনি ব্যবস্থা

বিমান আকাশে ওড়ার সময় যাতে বিমানের বাথরুমে কেউ যৌন সঙ্গম না করেন তার জন্য বেশ কঠোর নিয়ম রয়েছে ইউ. কে. তে। এই রকম কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে শাস্তি স্বরুপ হতে পারে ৬ মাসের জেল।
বিশ্বব্যাপী উড়ান সংস্থাগুলিতে কাজ করার জন্য শত শত সুন্দরী অল্পবয়সী মেয়েরা আবেদন করে। বেশিরভাগ বিমানযাত্রীরই সুন্দরী বিমান সেবিকাদের প্রতি এক বিশেষ দূর্বলতা রয়েছে। কোনো কোনো বিমান সেবিকা নিজের সীমার মধ্যে থেকে নিজের কাজ করে যান, কেউ কেউ আবার এই সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত টাকা কামিয়ে নেন।
বিমান সেবিকা হওয়া, স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো

জাপানে, একটি ফ্লাইট অ্যাডেন্টেন্ট বা এয়ার হোস্টেস হয়ে ওঠা, যা তাদের স্থানীয় ভাষাতে একটি সোচোওয়াডেসু হিসাবে পরিচিত, অনেক নারীর জন্য স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতোই আনন্দদায়ক। জাপানের উড়ানের ব্যাপারে অনেক গল্প রয়েছে যেখানে পাইলটরা বিমান সেবিকাদের সাথে টাকার বিনিময়ে রাত কাটান।

তবে এটুকু বলা যায় অনেক বিমান যাত্রীর কুনজর এড়িয়ে বিমান সেবিকার কাজ করাটা বেশ কষ্টদায়ক।


No comments:
Post a Comment