তার নেশা শুধুই ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 5 September 2018

তার নেশা শুধুই ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ

তার নেশা শুধুই ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ, অতঃপর...
আলোচিত দুই শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মহসিন আলি শেখকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। টার্গেট করে শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে আসছিল সে।
মঙ্গলবার মধ্য রাত ৪টার দিকে ৬ মাসের পুলিশি অভিযানের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের দুইটি মামলা রয়েছে। যার মামলা নং-৪৩(২)১৮ ও ৫২(১১)১৭।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গাজী মোঃ সালাউদ্দিন জানান, ২০০১ সালে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৫ বছর জেলে খেটে বের হয়েছে বলে মহসিন মৌখিকভাবে স্বীকার করে। তবে মামলাটির সত্যতা যাচাই বাছাই চলছে। রাত ১২টার পর সপ্তাহে ২-১ দিন মুন্সিগঞ্জের বিনোদপুর এলাকায় ধর্ষণসহ চুরি, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াতো। আত্মগোপনে থাকার জন্য সে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার ডেমরা এলাকায় ভাসমানভাবে অবস্থান করে আসছিলো। নির্দিষ্ট করে তার কোন ঠিকানা নেই। ধর্ষণ মামলা দুইটির সুরহা না হওয়ায় পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করা হয়।
মহসিনকে একাধিকবার গ্রেপ্তার চেষ্টা করা হলেও সে পুলিশি ফাঁদ বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ৬ মাস ধরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরো জানান, ৫-১০ বছরের শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে আসছিল। তার পরিচয় কেউ যাতে চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর এলাকার আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে দীর্ঘদিন আগে বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যায়।
এদিকে, জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. হৃদয় (৩৫) নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকায় সে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল এবং বরগুনা জেলার আমতলি থানার ত্রেপুরা গ্রামের সেলিম মৃধার ছেলে হৃদয়। ভোর ৬টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
তার নেশা শুধুই ১০ বছরের শিশু ধর্ষণ, অতঃপর...
আলোচিত দুই শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মহসিন আলি শেখকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে মুন্সিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। টার্গেট করে শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে আসছিল সে।
মঙ্গলবার মধ্য রাত ৪টার দিকে ৬ মাসের পুলিশি অভিযানের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানায় তার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের দুইটি মামলা রয়েছে। যার মামলা নং-৪৩(২)১৮ ও ৫২(১১)১৭।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গাজী মোঃ সালাউদ্দিন জানান, ২০০১ সালে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৫ বছর জেলে খেটে বের হয়েছে বলে মহসিন মৌখিকভাবে স্বীকার করে। তবে মামলাটির সত্যতা যাচাই বাছাই চলছে। রাত ১২টার পর সপ্তাহে ২-১ দিন মুন্সিগঞ্জের বিনোদপুর এলাকায় ধর্ষণসহ চুরি, ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ঘুরে বেড়াতো। আত্মগোপনে থাকার জন্য সে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার ডেমরা এলাকায় ভাসমানভাবে অবস্থান করে আসছিলো। নির্দিষ্ট করে তার কোন ঠিকানা নেই। ধর্ষণ মামলা দুইটির সুরহা না হওয়ায় পুলিশ সুপারের বিশেষ নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করা হয়।
মহসিনকে একাধিকবার গ্রেপ্তার চেষ্টা করা হলেও সে পুলিশি ফাঁদ বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। ৬ মাস ধরে বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরো জানান, ৫-১০ বছরের শিশুদের ধর্ষণের উদ্দেশ্যে সে বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাফেরা করে আসছিল। তার পরিচয় কেউ যাতে চিহ্নিত না করতে পারে তার জন্য বিশেষ পন্থা অবলম্বন করতো। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রঘুরামপুর এলাকার আকমত আলি ওরফে আফতাব আলি শেখের ছেলে মহসিন। তবে দীর্ঘদিন আগে বাড়িঘর বিক্রি করে চলে যায়।
এদিকে, জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. হৃদয় (৩৫) নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করা হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের ডিঙ্গাভাঙ্গা এলাকায় সে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল এবং বরগুনা জেলার আমতলি থানার ত্রেপুরা গ্রামের সেলিম মৃধার ছেলে হৃদয়। ভোর ৬টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad