মধ্যযুগে এমন একটা সময় গেছে যখন অত্যাচারীর সংখ্যা ছিলো অনেক বেশি। তবে, অত্যাচারও কম ছিলো না। সে সময় যে ভয়ানক এবং অভিনব শাস্তিগুলো অপরাধীদেরকে দেয়া হতো, তার নৃশংসতা সম্পর্কে আমরা হয়তো ধারনাও করতে পারবো না। সেক্ষেত্রে সেই শাস্তিগুলোর তুলনায় এখনকার শাস্তিগুলো তেমন মর্মান্তিক নয়। নিচে বর্ণিত তেমনি কিছু শাস্তির উদাহরন দেওয়া হল-

শূলে চড়ানো: শূলে চড়ানো বলতে যা বোঝায়। বন্দীর হাত-পা বেঁধে সূচালো এই দণ্ডের উপর বসিয়ে দেয়া হতো। শরীরের ভারে তা আস্তে আস্তে গভীরে যেতে থাকতো। এই পদ্ধতিতে বন্দীর মৃত্যু হতে ১/২ দিন, কখনও ৩ দিনও লাগতো।

বেঈমানের দোলনা: মধ্যযুগে স্প্যানিশদের আবিষ্কৃত এই বর্বর পদ্ধতির শাস্তি। বন্দীকে নগ্ন করে এর উপর বসানো হতো। ব্যাস, এরপর আর কিছু করা লাগতো না। শরীরের ভারেই সবকিছু একত্রিত হয়ে যেতো।

চূর্ণকরন চাকা: এটাও মধ্যযুগিয় ইউরোপের বর্বর কিছু শাস্তির মধ্যে অন্যতম। একটা চাকার উপর বন্দীকে শোয়ানো হতো, তারপর প্রচণ্ড ভারী হাতুড়ি দিয়ে শক্তিশালী আঘাত করে খণ্ড খণ্ড করা হতো দেহের সমস্ত জয়েন্ট।

স্প্যানিশ গাধা: মধ্যযুগের বর্বরতার আরেকটি নিদর্শন। এই পদ্ধতিতে বন্দীকে একটা গাধার উপর বসানো হতো। তবে এই গাধাটা একটু অন্যরকম। তেমন নরম মোলায়েম নয়। এর উপর দিকটি ধারালো। এতে বসিয়ে বন্দীদের পায়ে ভারী লোহার বল বেঁধে দেয়া হতো এবং এতে বেশ মারাত্মক আঘাত আসতো।
শূলে চড়ানো: শূলে চড়ানো বলতে যা বোঝায়। বন্দীর হাত-পা বেঁধে সূচালো এই দণ্ডের উপর বসিয়ে দেয়া হতো। শরীরের ভারে তা আস্তে আস্তে গভীরে যেতে থাকতো। এই পদ্ধতিতে বন্দীর মৃত্যু হতে ১/২ দিন, কখনও ৩ দিনও লাগতো।
বেঈমানের দোলনা: মধ্যযুগে স্প্যানিশদের আবিষ্কৃত এই বর্বর পদ্ধতির শাস্তি। বন্দীকে নগ্ন করে এর উপর বসানো হতো। ব্যাস, এরপর আর কিছু করা লাগতো না। শরীরের ভারেই সবকিছু একত্রিত হয়ে যেতো।
চূর্ণকরন চাকা: এটাও মধ্যযুগিয় ইউরোপের বর্বর কিছু শাস্তির মধ্যে অন্যতম। একটা চাকার উপর বন্দীকে শোয়ানো হতো, তারপর প্রচণ্ড ভারী হাতুড়ি দিয়ে শক্তিশালী আঘাত করে খণ্ড খণ্ড করা হতো দেহের সমস্ত জয়েন্ট।
স্প্যানিশ গাধা: মধ্যযুগের বর্বরতার আরেকটি নিদর্শন। এই পদ্ধতিতে বন্দীকে একটা গাধার উপর বসানো হতো। তবে এই গাধাটা একটু অন্যরকম। তেমন নরম মোলায়েম নয়। এর উপর দিকটি ধারালো। এতে বসিয়ে বন্দীদের পায়ে ভারী লোহার বল বেঁধে দেয়া হতো এবং এতে বেশ মারাত্মক আঘাত আসতো।
No comments:
Post a Comment