নিজের জীবনের বিতৃষ্ণা এসে গিয়েছিল। আর তাই হতাশ যুবক পল মুতোরা আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন কীটনাশক খেয়ে। গত বুধবার রাতের ঘটনা এটি। এরপর তাকে নেয়া হয় হাসপাতালে। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুর পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই আয়োজন চলছিল মুতোরার শেষ কৃত্যানুষ্ঠানের। ওদিকে লাশকাটা ঘরে ছুরি-কাঁচি নিয়ে ময়না তদন্তের জন্য তৈরি হচ্ছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু চিকিৎসকদের অবাক করে দিয়ে ছুরি চালানোর আগেই জেগে উঠলেন তিনি।
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে নাইভাশা সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসকেরা বলেন, "মুতোরাকে সারিয়ে তোলার জন্য চিকিৎসায় যে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, তাতে তার হৃদস্পন্দন খুবই ধীর হয়ে যায়। এ কারণেই তাকে মৃত ভাবা হয়েছিল।"
এদিকে মৃত ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার মুতোরার শেষকৃত্যের আয়োজনও করছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বিকেলে খবর আসে, মুতোরা মরেননি, তিনি বেঁচে আছেন। দিব্যি সুস্থ আছেন।
মর্গে থেকে ফিরে মুতোরা বললেন, "শুরু থেকেই আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আমার বাবার কাছে (ভুলের জন্য) ক্ষমা চাইছি।"
এদিকে একজন জীবিত মানুষকে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠানোর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোসেফ এমবুরু বলেন, এ ঘটনায় চিকিৎসকেরা হয়তো দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। কিন্তু কাটাছেঁড়ার হাত থেকে তো ভুক্তভোগী বেঁচে গেছেন। মুতোরো বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত্যুর পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই আয়োজন চলছিল মুতোরার শেষ কৃত্যানুষ্ঠানের। ওদিকে লাশকাটা ঘরে ছুরি-কাঁচি নিয়ে ময়না তদন্তের জন্য তৈরি হচ্ছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু চিকিৎসকদের অবাক করে দিয়ে ছুরি চালানোর আগেই জেগে উঠলেন তিনি।
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে নাইভাশা সদর হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসকেরা বলেন, "মুতোরাকে সারিয়ে তোলার জন্য চিকিৎসায় যে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, তাতে তার হৃদস্পন্দন খুবই ধীর হয়ে যায়। এ কারণেই তাকে মৃত ভাবা হয়েছিল।"
এদিকে মৃত ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার মুতোরার শেষকৃত্যের আয়োজনও করছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বিকেলে খবর আসে, মুতোরা মরেননি, তিনি বেঁচে আছেন। দিব্যি সুস্থ আছেন।
মর্গে থেকে ফিরে মুতোরা বললেন, "শুরু থেকেই আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আমার বাবার কাছে (ভুলের জন্য) ক্ষমা চাইছি।"
এদিকে একজন জীবিত মানুষকে মৃত ঘোষণা করে মর্গে পাঠানোর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোসেফ এমবুরু বলেন, এ ঘটনায় চিকিৎসকেরা হয়তো দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। কিন্তু কাটাছেঁড়ার হাত থেকে তো ভুক্তভোগী বেঁচে গেছেন। মুতোরো বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
No comments:
Post a Comment