সাত সকালে যুগলের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার মালবাজার মহকুমার নেপুছাপুর চা বাগান থেকে।এনিয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল ওই এলাকায়। পরে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার উদ্ধার করে।
স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে,মাল ব্লকের বড়দীঘি স্টেশন পাড়া এলাকার আঠারো ছুই ছুই কিশোরী কন্যা মিনা কর্মকার বড়দীঘি হাইস্কুলের টুয়েলভ এর ছাত্রী।ওই স্কুলের সদ্য আঠারো পেড়োনো কিশোর ছাত্র বিপ্লব রায় এক সঙ্গেই পড়ে।স্থানীয় কান্তদীঘি কুমার পাড়া এলাকা কিশোর বিপ্লবের সাথে স্কুলে পড়া চলাকালীন মিনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর আগে একবার এই প্রেমিক যুগল বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল।পরে দুই বাড়ির লোকজন বুঝিয়ে বাড়ি নিয়ে আসে।তারপর কিছুদিন স্বাভাবিক চলছিল।
শনিবার রাতে পর থেকে আবার ওই প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হয়ে যায়। দুই বাড়ির লোকজন রাত ১২ পর্জন্ত এদিকওদিক খোজ করে সন্ধান পায়নি।
বিপ্লব রায় এর মা, বিমলা রায়, বলেন শনিবার রাতে আমার বাড়িতে চলে আসে ওই মেয়ে। ছেলে কে বলে, আমাকে রবিবার বিহারে পাঠিয়ে দেবে তাই আমি পালিয়ে এখানে চলে এসেছি।
বিপ্লবের মা মেয়েটিকে বলে, তোদের রবিবার বিয়ে দিয়ে দেব তোরা আজ আমার বাড়িতে থাক। কিন্তু কিছুক্ষন পর আমার ছেলে এবং ওই মেয়ে ঘরের জানালা দিয়ে কোথায় চলে যায়। তাদের আর কোন খোজ পাইনা। আমাদের সবার এই বিয়েতে রাজি ছিল কিন্তু মেয়ের মা রাজি ছিল না বলে বিপ্লবের মায়ের অভিযোগ।
রবিরার সকালে বড়দীঘি বাজার সংলগ্ন নেপুছাপুর চাবাগানের ৬০ নাম্বার সেকসন এলাকার চাবাগানের এক গাছে দুই জনের ঝুলন্ত মৃতদেহ বাগানের শ্রমিক দেখতে পায়।মুহুর্তে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। বহুলোকের ভিড় জমে যায়। খবর পেয়ে মালবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পোঁছে জোড়া ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে।
এদিকে মিনার দাদা রহিত কর্মকার বলেন, আমরাও এই বিয়েতে রাজি ছিলাম কিন্তু বোনের ১৮ বছর হন নি বলে ওয়েট করছিলাম। ১৮ বছর হয়ে গেলেই বিয়ে দিয়ে দিতাম।
জানা গেছে মৃত বিপ্লব রায় এবং মিনা কর্মকার খুব ভাল কবাডি খেলোয়াড়। বিল্লব জেলা স্তরে উড়িষ্যায় ও খেলেছে। তাদের এই ভাবে মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না স্কলের ছাত্র ছাত্রী থেকে শিক্ষক শিক্ষিকারা ।

No comments:
Post a Comment