বিপন্নের সাহায্যই তাঁদের পেশার মূল কথা। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই আদর্শ থেকে পুলিশকর্মীদের বিচ্যূত হওয়ার খবরই সামনে আসে। তাদের মাঝেই উজ্জ্বল ব্যতিক্রম সোনু কুমার রাজোরা। মথুরা স্টেশনে কর্মরত রেল পুলিশের এই অফিসার নিজের কোলে করে এক গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে পৌঁছে দিলেন।
ভাবনা ও তাঁর স্বামী মহেশ ফরিদাবাদ জেলার বল্লভগড়ের বাসিন্দা। ট্রেনে হাথরস থেকে ফরিদাবাদ যাচ্ছিলেন তাঁরা। পথে ভাবনার প্রসব বেদনা উঠলে মথুরা স্টেশনেই তাঁরা নেমে যান। কিন্তু মথুরাতে নতুন এই দম্পতি কোথায় হাসপাতালে তা বুঝতে পারছিলেন না। এই অবস্থায় তাঁদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন সোনু কুমার রাজোরা। অ্যাম্বুলেন্সের জন্য চেষ্টা করেন তিনি। অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অটো রিকশা করে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকা ভাবনা ও তাঁর স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। এখানেই শেষ নয়, হাসপাতালে গিয়ে স্ট্রেচার না পেয়ে কোলে করেই প্রায় ১০০ মিটার দূরে মহিলা বিভাগে ভাবনাকে পৌঁছে দেন তিনি।
ভাবনা একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মা ও তাঁর সদ্যোজাত শিশু দু-জনেই সুস্থ রয়েছে। এই উপকারের কথা কখনও ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন মহেশ। কিন্তু রাজোরাকে ধন্যবাদও জানানো হয়নি বলে আক্ষেপ যাচ্ছে না তাঁর। ভাবনাকে ডাক্তারের কাছে পৌঁছে দিয়েই সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন রাজোরা। মথুরা স্টেশনে গিয়ে পরে তাঁর সঙ্গে দেখা করলে রাজোরা উদাসীন ভাবে জানালেন যে এটা তাঁর দায়িত্ব, অতিরিক্ত তিনি কিছুই করেননি।
ভাবনা ও তাঁর স্বামী মহেশ ফরিদাবাদ জেলার বল্লভগড়ের বাসিন্দা। ট্রেনে হাথরস থেকে ফরিদাবাদ যাচ্ছিলেন তাঁরা। পথে ভাবনার প্রসব বেদনা উঠলে মথুরা স্টেশনেই তাঁরা নেমে যান। কিন্তু মথুরাতে নতুন এই দম্পতি কোথায় হাসপাতালে তা বুঝতে পারছিলেন না। এই অবস্থায় তাঁদের দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন সোনু কুমার রাজোরা। অ্যাম্বুলেন্সের জন্য চেষ্টা করেন তিনি। অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অটো রিকশা করে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকা ভাবনা ও তাঁর স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি। এখানেই শেষ নয়, হাসপাতালে গিয়ে স্ট্রেচার না পেয়ে কোলে করেই প্রায় ১০০ মিটার দূরে মহিলা বিভাগে ভাবনাকে পৌঁছে দেন তিনি।
ভাবনা একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মা ও তাঁর সদ্যোজাত শিশু দু-জনেই সুস্থ রয়েছে। এই উপকারের কথা কখনও ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন মহেশ। কিন্তু রাজোরাকে ধন্যবাদও জানানো হয়নি বলে আক্ষেপ যাচ্ছে না তাঁর। ভাবনাকে ডাক্তারের কাছে পৌঁছে দিয়েই সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন রাজোরা। মথুরা স্টেশনে গিয়ে পরে তাঁর সঙ্গে দেখা করলে রাজোরা উদাসীন ভাবে জানালেন যে এটা তাঁর দায়িত্ব, অতিরিক্ত তিনি কিছুই করেননি।
No comments:
Post a Comment