মিসরে নারীদের এফজিএম (ফিমেল জেনিটাল মিউটিলেশন) করতে বাধ্য করার শাস্তি কঠোর না করতে বলে বিতর্কের মুখে পড়েছেন একজন এমপি। তিনি বলেন, মিসরের অর্ধেক পুরুষই যৌন অক্ষম।
এফজিএম করার সময় এক কিশোরীর মৃত্যুর পর গত সপ্তাহে পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেয় এফজিএমের সঙ্গে জড়িতদের কারাদণ্ড বাড়ানো হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় এমপি ইলহামি বলেন, মিসরের পুরষদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নারীদের যৌন চাহিদা কমানোর জন্য এফজিএম প্রয়োজন। ২০০৮ সালে মিসরে আইন করে এফজিএম নিষিদ্ধ করা হলেও সেখানে এটির ব্যাপক প্রচলন আছে। এর মাধ্যমে নারীদের যৌনাঙ্গ আংশিক বা পুরোপুরি কেটে ফেলে তার যৌনতাকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।
এমপি ইলহামি বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে মিসরের ৫০ ভাগ পুরুষ যৌন অক্ষম। এটি একটি রোগ। এর একটি প্রমাণ হচ্ছে দেশে যৌন উত্তেজক সামগ্রীর উত্পাদন ও আমদানি ব্যাপক বেড়েছে। পৃথিবীর যে কটি দেশ এ ধরনের পণ্য বেশি আমদানি করে তার মধ্যে একটি মিসর। তিনি আরো বলেন, যৌন দুর্বল মিসরীয় পুরুষদের সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য নারীদের এফজিএম করা প্রয়োজন। এটি বন্ধ করতে হলে আমাদের শক্তিশালী পুরুষ প্রয়োজন। যা আমাদের নেই।
পৃথিবীর ২০ কোটি নারী এফজিএম করানো অবস্থায় জীবন কাটাচ্ছেন। এর ফলে অনেক সময় অতিরিক্ত রক্তপাত, প্রস্রাবে সমস্যা, বন্ধ্যত্ব সৃষ্টি হয়। সাধারণত ১৫ বছরের আগেই নারীদের এটি করানো হয়। আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে এর ব্যাপক প্রচলন রয়েছে।

No comments:
Post a Comment