যে কারণে অধিকাংশ মানুষ শীতকালে বিয়ে করে - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 9 September 2018

যে কারণে অধিকাংশ মানুষ শীতকালে বিয়ে করে

যে কারণে অধিকাংশ মানুষ শীতকালে বিয়ে করে...
আমাদের দেশে সাধারণত শীতকাল এলেই বিয়ের হিড়িক পড়ে যায়। এজন্যে শীতকালকে বলা হয়ে থাকে বিয়ের মওসুম। শীতের সময় দিন ছোট হলেওে এ মওসুমে বিয়ে করার রয়েছে কিছু অতিরিক্ত সুযোগ সুবিধা। তাই শীতকালে বিয়ে সাদী বেশি হবার কারণ ও সুযোগ সুবিধা নিম্নে তুলে ধরা হলো_
অতিরিক্ত বাজার করতে হয় না:
শীত এলেই অনেকের ঠোঁট ফাটার সমস্যা হয়, আবার কারও বাতের ব্যাথা বেড়ে যায়, অনেকের প্রেসার দিনে একশোবার আপ-ডাউন করে। আর সেই কারণে অনেক মানুষই বেশি খেতে পারে না। আর বেশি খেতে না পারা মানে আপনার বাড়তি বাজারের টাকাটা বেচে গেল।
মৌসুমী ফল কেনার টেনশন নেই:
গরম কালের মতো শীতে আম, লিচুর অতো বাম্পার ফলন নেই, তাই ফল কেনার ঝামেলাও নেই। একান্ত দরকার হলে ফল নয় বরং বাম্পার সবজি ফুলকপি নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে চলে যান। এত বড় সাইজের ফুল পেয়ে কার না মন ভালো হয়? পছন্দ না হলেও সমস্যা নেই রান্না করে খেয়ে ফেলা যাবে।
কারেন্ট বিল বেঁচে যায়:
শীতকালে এমনিতেই ফ্যান চলে না, তার ওপর নতুন বউ ঘরে থাকলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর একটা তাড়া থাকে বলে গুজব আছে। তাই তাড়াতাড়ি ঘুমানো মানে, সব লাইট-টিভি বন্ধ। আর সেই কারণে আপনার বিলটাও কম আসবে। বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
এনার্জি:
দাওয়াত, খাওয়া-দাওয়া, প্যান্ডেল- কতো কাজই না করতে হয় বিয়েতে! ৪-৫ দিনের ধকল। সবাই মিলে হাত লাগিয়ে সারতে হয়। রাত জাগা, প্রভৃতি উৎপাতে এনার্জি খরচ হয় বিস্তর। তাই শীতই সই। শীতে অনেক কাজ করলেও এনার্জিতে ঘাটতি দেখা যায় না।
সাজগোজের ব্যাপারটাও গুরুত্বপূর্ণ:
এ দেশের যা আবহাওয়া, শীত বাদে বাকি সময়টায় মেকআপ লাগিয়ে সাজলে মুশকিল। ঘেমে নেয়ে গলে গলে পড়ে সব সাজ। তাই কনের সাজ হোক বা বরের, শীতে যেমন খুশি সাজো, কুছ পরোয়া নেহি। বর-কনে ছাড়া বাকিরাও বিয়েবাড়ির সাজের আনন্দ নিতে পারে চুটিয়ে।
কত ফুল, কত ডেকরেশন:
কৃত্রিম ফুলের প্রয়োজনও হয় না শীতকালে। ডালিম, রজনীগন্ধা, অর্কিড, গাঁদা, গোলাপ, জুঁই – সব টাটকা টাটকা পাওয়া যায় হাফ দামে। এবেলা সাজালে ওবেলায় পচে যায় না।
যত খুশি খাও:
অম্বল হবে না। এমনিতেই শীতে হজমশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। তাই ফিশফ্রাই, রোগানজোশ, বিরিয়ানি, পোলাও সবই এক থাকায় গপগপিয়ে সাবাড় করা যায় বিনা দ্বিধায়। তা ছাড়া, শীতকালীন কিছু বিশেষ খাবার ওঠে, যেমন গুড়, কমলা লেবু। সে সব খাওয়া দাওয়াকে অন্য মাত্রায় পৌঁছে দেয়।
হানিমুনের চার্ম:
বিয়ের পর খুব বেড়ানো যায়। রোদের তাপ নেই। ক্লান্তি নেই। বরের হাত ধরে নতুনের স্বাদটা ভালোই উপভোগ করা যায় শীতে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad