গতকাল প্রদেশ নেতৃত্বের কাছে একটি চিঠি আসে। AICC-র সাধারণ সম্পাদক অশোক গেহলট ওই চিঠিটি পাঠান। চিঠিতে লেখা আছে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর দিল্লির ১৫ নম্বর গুরুদ্বারা রাকাবগঞ্জ রোডের দলীয় কার্যালয়ে সংগঠন সংক্রান্ত একটি বৈঠক হবে। সেখানে রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
চিঠিটি বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের হাতেও এসেছে। তবে, এ বিষয়ে এখনই কেউ শব্দ খরচ করতে নারাজ। কেন এই চিঠি তাও প্রকাশ্যে কেউ বলছেন না। প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরি বললেন, "সংগঠন সংক্রান্ত ব্যাপার। দিল্লিতে আলোচনা হবে। এর বেশি কিছু বলব না।" তবে, কোষাগারের যে হাল খারাপ তাও মেনে নিলেন অধীরবাবু। তাঁর কথায়, "দেশজুড়েই তো খারাপ অবস্থা। এ আবার নতুন কী ?"
চিঠিটি বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের হাতেও এসেছে। তবে, এ বিষয়ে এখনই কেউ শব্দ খরচ করতে নারাজ। কেন এই চিঠি তাও প্রকাশ্যে কেউ বলছেন না। প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরি বললেন, "সংগঠন সংক্রান্ত ব্যাপার। দিল্লিতে আলোচনা হবে। এর বেশি কিছু বলব না।" তবে, কোষাগারের যে হাল খারাপ তাও মেনে নিলেন অধীরবাবু। তাঁর কথায়, "দেশজুড়েই তো খারাপ অবস্থা। এ আবার নতুন কী ?"
চাঁদা দেওয়ার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি অনেকটাই পিছিয়ে। কিছুদিন আগে AICC সদস্যদের কাছে ১০ হাজার ও PCC সদস্যদের কাছে ২ হাজার টাকা করে চেয়েছিল হাইকম্যান্ড। কিন্তু, সেই টাকা কেউই প্রায় দেননি। একই হাল অন্য রাজ্যগুলোর। এই অবস্থায় এবার কড়া হতে পারে হাইকম্যান্ড।
এমনিতে কংগ্রেসের অবস্থা তথৈবচ। মাত্র ২টি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে তাদের মুখ্যমন্ত্রী আছে। লোকসভাতেও সদস্য সংখ্য নগণ্য। কোথাও ক্ষমতার ধারেকাছে নেই তারা। তাই, BJP-র মোদি-শাহ জুটির সঙ্গে পাল্লা দিতে অর্থ ছাড়া যে গতি নেই তা বুঝেছে হাইকম্যান্ড। তাই, লোকসভা নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।
এতে সমস্যা মিটবে কি ? প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতা বলছেন, "সমস্যা কিছুটা হলেও মিটতে পারে। রোজকার খরচপাতি চালানো অসম্ভব হয়ে উঠছে। তাই, আমজনতারও দ্বারস্থ হতে চলেছি আমরা। আগামী কয়েকদিনে "ডোনেশন কর্নার" খোলা হবে দলীয় ওয়েবসাইটে। সেখানে কংগ্রেসের তহবিলে অর্থ দান করতে পারবে সাধারণ মানুষ। এরপর রাহুলজি আছেন। উনিই হয়তো কোনও পথ বাতলে দেবেন।"

No comments:
Post a Comment