এদেশ বিপন্ন আজ; জানি আজ নিরন্ন জীবন-
মৃত্যুরা প্রত্যহ সঙ্গী, নিয়ত শত্রুর আক্রমণ
রক্তের আল্পনা আঁকে, কানে বাজে আর্তনাদ সুর;
তবুও সুদৃঢ় আমি, আমি এক ক্ষুধিত মজুর
কবি সুকান্তের এই কবিতার লাইনগুলি স্মরণ করিয়ে দেয় সে সব সাহসী সেনাদের যারা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই পৃথিবীকে সুন্দর করে তুলেছে ।তারা শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তুলেছে।
যুদ্ধ বা সমর বলতে রাষ্টীয় ও অরাষ্টীয় পক্ষগুলোর মধ্যে সুসংগঠিত এবং কখনও কখনও দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র সংর্ঘ্ষকে বোঝায়। চারিত্রিক দিক দিয়ে এটি প্রচণ্ড সহিংস এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।
যুদ্ধকে সবসময় রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে একটি বাস্তব, প্রায়োগিক ও বিস্তৃত সশস্ত্র সংঘর্ষ হিসেবে দেখা হয়।বিশ্বে এমন কিছু শক্তিশালী ও সাহসী বাহিনী আছে যারা জীবনের মাযা ত্যাগ করে শত্রুর মোকাবিলা করে। দেখে নিন বিশ্বের সেইসব দুর্ধর্ষ ১০ বাহিনী:
১। SSG, Pakistan: একে ডাকা হয়ে থাকে “Black Storks” নামে ।১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের তৈরি পাকিস্তানের এই বাহিনী সাহসিকতার জন্য বিখ্যাত। জঙ্গিদমন, পণবন্দিদের উদ্ধার, আচমকা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে লড়ায়ের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকে এরা।তাদের নাম শুনলে সন্ত্রাসিরা ভয়ে আতঁকে উঠে।

২। GIS,Italy: সবসময় এরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকে এরা্। ভয়কে জয় করতে পরম আনন্দ পাই তারা।১৯৭৮- সালে প্রতিষ্ঠিত ইতালি মিলিটারির একটি বিশেষ ফোর্স এটি। সন্ত্রাসবাদীদের রুখতেই এই বাহিনীটি গঠিত হয়। বর্তমানে এই বাহিনীতে রয়েছে ১০০-এর বেশি সৈন্য।
৩। EKO Cobra, Austria: এটি হলো অস্ট্রেলিয়ার জঙ্গি-দমনকারী ইউনিট। ১৯৭৮-সালে ইসরায়েলি অ্যাথলিটদের উপর হামলার পরই এই বাহিনীটি তৈরি করা হয়। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে অংশ নিয়েছে এই বাহিনী। এটি এমন একটি ইউনিট যারা আকাশে থাকাকালীনই একটি বিমানকে হাইজ্যাকারদের হাত হতে বাঁচিয়েছিল!তাদের এই অবদানের জন্য তারা অমর হয়ে থাকবে আজীবন।
৪। SAS, United Kingdom: এরাও অনেক দক্ষ ও সাহসী।১৯৪১ সালে গঠিত এই বাহিনী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৮০ সালে ইরানি দূতাবাসে হামলার পর সাফল্যের সঙ্গে পণবন্দিদের উদ্ধার করে খ্যাতি অর্জন করে এই বাহিনী। শুধু তাই নয়, জঙ্গিদমন ও যুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়ে থাকে এই বাহিনীকে।

৫। GIGN, France: এই বাহিনী ফরাসি সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অংশ। মূলত জঙ্গি দমন ও পণবন্দিদের উদ্ধারের জন্য এদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়। যে কোনও ভয়াবহ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত থাকে এরা। বিশ্বের যে কোনও স্থানে গিয়ে পণবন্দিদের উদ্ধার করে আনার জন্য এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়।
৬। MARCOS,India: ভারতীয় নৌবাহিনীর অংশ হলো এই মার্কোস। জঙ্গিনাশ, পণবন্দিদের উদ্ধার কিংবা ডাইরেক্ট অ্যাকশনের মতো মিশনের ক্ষেত্রে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এরা বিশেষ ট্রেনিংপ্রাপ্ত, বিশেষ অস্ত্র ধারণ করে এরা। যে কোনও ভয়ানক অভিযানের জন্য এদের প্রস্তুত রাখা হয়।
৭। JW GROM,Poland: ১৯৯০ সালের ১৩ জুলাই থেকে কার্যকরি হয়েছে এই বাহিনী। জঙ্গি হামলার আশঙ্কাতেই তৈরি করা হয়েছিল এই বিশেষ বাহিনীটি। তবে শুধুমাত্র জঙ্গি-দমন নয়, যে কোনও ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার কাজে প্রস্তুত থাকে এরা।

৮।GSG 9,Germany: জার্মানির জঙ্গি দমন শাখা হলো এই বাহিনীটি। ১৯৭৩ সালে তৈরি করা হয় জার্মান পুলিশের এই বাহিনীটি। অপহরণ, জঙ্গি হামলার মতো ঘটনায় এরা বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। স্নাইপার অপারেশনও চালিয়ে থাকে এরা। ১৯৭৩ হতে ২০০৩-এর মধ্যে দেড় হাজার মিশন সম্পন্ন করেছে এই বাহিনী।
৯। Delta Force, United States: বারবার জঙ্গি হামলার পর আমেরিকায় ১৯৯৭ তে অনুমোদন পেয়েছিল এই বাহিনী। এই বাহিনীটি আমেরিকার গোপনতম একটি বাহিনী। শুধু জঙ্গি হানার মোকাবিলাই নয়, দেশের জন্য যে কোনও ধরনের অভিযানে অংশ নিতে সক্ষম এই বিখ্যাত ডেলটা বাহিনীটি।

১০। Navy SEALS, United States: আমেরিকার নৌবাহিনীর পুরুষ সদস্যদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই নেভি সিল। সিআইএ তাদের গোপন অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য এই নেভি সিল হতে লোক নেওয়া হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় অংশ নেয় নেভি সিলে।এরাও প্রচুর সাহসী এবং শক্তিশালী। ভিন্ন ধরনের কৌশল অবলম্বন করে এরা শত্রকে ঘায়েল করে।
মৃত্যুরা প্রত্যহ সঙ্গী, নিয়ত শত্রুর আক্রমণ
রক্তের আল্পনা আঁকে, কানে বাজে আর্তনাদ সুর;
তবুও সুদৃঢ় আমি, আমি এক ক্ষুধিত মজুর
কবি সুকান্তের এই কবিতার লাইনগুলি স্মরণ করিয়ে দেয় সে সব সাহসী সেনাদের যারা মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই পৃথিবীকে সুন্দর করে তুলেছে ।তারা শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে তুলেছে।
যুদ্ধ বা সমর বলতে রাষ্টীয় ও অরাষ্টীয় পক্ষগুলোর মধ্যে সুসংগঠিত এবং কখনও কখনও দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র সংর্ঘ্ষকে বোঝায়। চারিত্রিক দিক দিয়ে এটি প্রচণ্ড সহিংস এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ।
যুদ্ধকে সবসময় রাজনৈতিক পক্ষগুলোর মধ্যে একটি বাস্তব, প্রায়োগিক ও বিস্তৃত সশস্ত্র সংঘর্ষ হিসেবে দেখা হয়।বিশ্বে এমন কিছু শক্তিশালী ও সাহসী বাহিনী আছে যারা জীবনের মাযা ত্যাগ করে শত্রুর মোকাবিলা করে। দেখে নিন বিশ্বের সেইসব দুর্ধর্ষ ১০ বাহিনী:
১। SSG, Pakistan: একে ডাকা হয়ে থাকে “Black Storks” নামে ।১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের তৈরি পাকিস্তানের এই বাহিনী সাহসিকতার জন্য বিখ্যাত। জঙ্গিদমন, পণবন্দিদের উদ্ধার, আচমকা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে লড়ায়ের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকে এরা।তাদের নাম শুনলে সন্ত্রাসিরা ভয়ে আতঁকে উঠে।
২। GIS,Italy: সবসময় এরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকে এরা্। ভয়কে জয় করতে পরম আনন্দ পাই তারা।১৯৭৮- সালে প্রতিষ্ঠিত ইতালি মিলিটারির একটি বিশেষ ফোর্স এটি। সন্ত্রাসবাদীদের রুখতেই এই বাহিনীটি গঠিত হয়। বর্তমানে এই বাহিনীতে রয়েছে ১০০-এর বেশি সৈন্য।
৩। EKO Cobra, Austria: এটি হলো অস্ট্রেলিয়ার জঙ্গি-দমনকারী ইউনিট। ১৯৭৮-সালে ইসরায়েলি অ্যাথলিটদের উপর হামলার পরই এই বাহিনীটি তৈরি করা হয়। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে অংশ নিয়েছে এই বাহিনী। এটি এমন একটি ইউনিট যারা আকাশে থাকাকালীনই একটি বিমানকে হাইজ্যাকারদের হাত হতে বাঁচিয়েছিল!তাদের এই অবদানের জন্য তারা অমর হয়ে থাকবে আজীবন।
৪। SAS, United Kingdom: এরাও অনেক দক্ষ ও সাহসী।১৯৪১ সালে গঠিত এই বাহিনী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৮০ সালে ইরানি দূতাবাসে হামলার পর সাফল্যের সঙ্গে পণবন্দিদের উদ্ধার করে খ্যাতি অর্জন করে এই বাহিনী। শুধু তাই নয়, জঙ্গিদমন ও যুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়ে থাকে এই বাহিনীকে।
৫। GIGN, France: এই বাহিনী ফরাসি সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ অংশ। মূলত জঙ্গি দমন ও পণবন্দিদের উদ্ধারের জন্য এদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়। যে কোনও ভয়াবহ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত থাকে এরা। বিশ্বের যে কোনও স্থানে গিয়ে পণবন্দিদের উদ্ধার করে আনার জন্য এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়।
৬। MARCOS,India: ভারতীয় নৌবাহিনীর অংশ হলো এই মার্কোস। জঙ্গিনাশ, পণবন্দিদের উদ্ধার কিংবা ডাইরেক্ট অ্যাকশনের মতো মিশনের ক্ষেত্রে এই বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এরা বিশেষ ট্রেনিংপ্রাপ্ত, বিশেষ অস্ত্র ধারণ করে এরা। যে কোনও ভয়ানক অভিযানের জন্য এদের প্রস্তুত রাখা হয়।
৭। JW GROM,Poland: ১৯৯০ সালের ১৩ জুলাই থেকে কার্যকরি হয়েছে এই বাহিনী। জঙ্গি হামলার আশঙ্কাতেই তৈরি করা হয়েছিল এই বিশেষ বাহিনীটি। তবে শুধুমাত্র জঙ্গি-দমন নয়, যে কোনও ধরনের পরিস্থিতিতে উদ্ধার কাজে প্রস্তুত থাকে এরা।
৮।GSG 9,Germany: জার্মানির জঙ্গি দমন শাখা হলো এই বাহিনীটি। ১৯৭৩ সালে তৈরি করা হয় জার্মান পুলিশের এই বাহিনীটি। অপহরণ, জঙ্গি হামলার মতো ঘটনায় এরা বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। স্নাইপার অপারেশনও চালিয়ে থাকে এরা। ১৯৭৩ হতে ২০০৩-এর মধ্যে দেড় হাজার মিশন সম্পন্ন করেছে এই বাহিনী।
৯। Delta Force, United States: বারবার জঙ্গি হামলার পর আমেরিকায় ১৯৯৭ তে অনুমোদন পেয়েছিল এই বাহিনী। এই বাহিনীটি আমেরিকার গোপনতম একটি বাহিনী। শুধু জঙ্গি হানার মোকাবিলাই নয়, দেশের জন্য যে কোনও ধরনের অভিযানে অংশ নিতে সক্ষম এই বিখ্যাত ডেলটা বাহিনীটি।
১০। Navy SEALS, United States: আমেরিকার নৌবাহিনীর পুরুষ সদস্যদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই নেভি সিল। সিআইএ তাদের গোপন অপারেশনে অংশ নেওয়ার জন্য এই নেভি সিল হতে লোক নেওয়া হয়। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় এরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। পরে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় অংশ নেয় নেভি সিলে।এরাও প্রচুর সাহসী এবং শক্তিশালী। ভিন্ন ধরনের কৌশল অবলম্বন করে এরা শত্রকে ঘায়েল করে।
No comments:
Post a Comment