এমনিতেই দুর্গাপুজো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সব থেকে বেশি চাহিদা থাকে বিশ্ব কন্যাশ্রী শিরোপা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এবার শহর থেকে শহরতলি, একাধিক জেলা থেকেও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুজোর উদ্বোধন করার জন্যে আবেদন জমা পড়েছে। ইতিমধ্যে আবেদনের সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় কয়েক হাজার। কিন্তু সব উদ্বোধন করা তাঁর পক্ষে করা সম্ভব নয়। সেজন্যে এখনও পর্যন্ত ৫০টি পুজো উদ্বোধনের তালিকা তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তালিকাটা লম্বা হওয়ার জন্যে শুক্রবার অর্থাৎ ৫ অক্টোবর থেকেই ঢাকে কাঠি বাজিয়ে দিচ্ছেন রাজ্যের নয়নের মনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর একই সঙ্গে কলকাতায় শুরু হয়ে যাবে বাংলা এবং বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। আগামী শুক্রবার ৫ অক্টোবর থেকে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো দিয়ে শুরু হবে তাঁর এ বছরের পুজো পরিক্রমা। ওইদিন বিকেলে উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে বিমানবন্দরে নেমে সোজা চলে যাবেন শ্রীভূমিতে। সেখানে শারদোৎসবের সূচনা করবেন তিনি। গত তিন বছর ধরে তিনি শ্রীভূমির পুজো উদ্বোধন করছেন। ২০০০ সালে প্রথম তিনি শ্রীভূমির দুর্গাপুজো দেখতে এসেছিলেন।
এরপর মহালয়া থেকে পুরোদমে পুজো মন্ডপের উদ্বোধন শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী। যেমন মহালয়ার দিন মায়ের চোখ আঁকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চেতলা অগ্রগামী পুজো মন্ডপে সেটি করার কথা রয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে কলকাতার একাধিক পুজো উদ্বোধনের কথা রয়েছে তাঁর।
প্রসঙ্গত, এবার শ্রীভূমিতে পুজোর থিম পদ্মাবত সিনেমার অনুকরণে চিতোরের প্রাসাদ। যে পদ্মাবত সিনেমা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল, সেই সিনেমার প্রাসাদকে সামনে রেখেই তৈরি হয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো মণ্ডপ।

No comments:
Post a Comment