মোনালিসা পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় আর্ট পিস। বিখ্যাত এই ছবিটি এঁকেছেন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি। এই ছবি নিয়ে বির্তকের শেষ নেই। পেইন্টিং-এ মহিলার নিখুঁত অভিব্যক্তি এখনো মানুষের কাছে এক অমীমাংসিত রহস্য। ১৫০৩ সালের আঁকা এই তৈলচিত্রটি নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। এর মূল আকর্ষণ রহস্যময়ী নারী। এই নারীর পরিচয় নিয়ে রয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা। কে এই নারী? লিওনার্দোর মহিলা রূপ নয় তো? নাকি অন্য কোনো মহিলা? মোনালিসার ছবি নিয়ে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা চমকে দেবে আপনাকে।
১। আপনি কী জানেন মোনালিসা নামটি আসলে ভুল থেকে হয়েছে? ছবিটির আসলে নাম “মোন্না লিসা”। মোনা হলো ইটালিয়ান নাম ম্যাডোনা এর সংক্ষিপ্ত রুপ। মোন্না লিসার অর্থ হল "মাই লেডি"।
২। ছবির মেয়েটির পরিচয় নিয়ে বির্তকের শেষ নেই। কেউ কেউ মনে করেন এই ছবিটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি নিজেকে ভেবে এঁকেছিলেন। অর্থাৎ এটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মহিলারুপ। আবার কেউ কেউ মনে করেন ছবির আসল মহিলা হলেন ২৪ বছর বয়সি লিসা ডিল জিওকোনডো যার দুটি ছেলে আছে।
৩। এই ছবিটি নিখুঁত নয়। ১৯৫৬ সালে ইগো আনগেজ নামক এক ব্যক্তি কোনো এক অজানা কারণে ছবিটিতে একটি পাথর ছুঁড়ে মারেন। যার কারণে মোনা লিসার শরীরের অল্প কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যায়। ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, ছবির মেয়েটির কুনইয়ের নিচের দিকের রংয়ে কিছুটা তালি লাগানো আছে।
৪। এই চিত্রকর্মটি অমূল্য তাই চুরি হওয়ার ভয় থাকলেও এর কোনো বীমা করা হয়নি!
৫। মোনালিসা চিত্রকর্মের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো তার কোনো ভ্রু নেই। এই ভ্রু না থাকা নিয়ে প্রচলিত একটি কারণ হলো, মোনালিসা শুরুতে ভ্রু আঁকা ছিল, কিন্তু ছবিটি সংরক্ষণ করার সময় জাদুঘরের কর্তৃপক্ষের অসাবধানতার কারণে ছবি থেকে ভ্রু মুছে গেছে! এই বিষয়ে আরো একটি ব্যাখ্যা হচ্ছে- মনে করা হয় লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ইচ্ছাকৃতভাবে এই ছবিটি অসম্পূর্ণ রেখেছেন।
৬। লুভর মিউজিয়ামের বিশেষ একটি ঘরে এই চিত্রকর্মটি রাখা হয়েছে। একটি বুলেট প্রুফ গ্লাসের আড়ালে এই চিত্রকর্মটি রাখা আছে। শুধু তাই নয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ দ্বারা এই চিত্রকর্মটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আর এরজন্য মিউজিয়ামে খরচ হয়েছে প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার!
৮। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে মূল ছবিটি আঁকার আগে আরো তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ছবি শিল্পী এঁকেছিলেন। আর প্রতিবারই ছবিটির ধরণ ছিল আলাদা আলাদা।
৯। ছবিতে মোনালিসাকে গর্ভবতী মনে করা হয়। তিনি একটি চেয়ারে বসে হাত দিয়ে পেট ঢাকার চেষ্টা করছেন। আর এই থেকে ধারণা করা হয় মোনালিসা গর্ভবতী। মজার বিষয় হলো লিসা ডিল জিওকোনডো গর্ভবতী ছিলেন যখন এই ছবিটি আঁকা হয়!
সূত্র: বোল্ড স্কাই
১। আপনি কী জানেন মোনালিসা নামটি আসলে ভুল থেকে হয়েছে? ছবিটির আসলে নাম “মোন্না লিসা”। মোনা হলো ইটালিয়ান নাম ম্যাডোনা এর সংক্ষিপ্ত রুপ। মোন্না লিসার অর্থ হল "মাই লেডি"।
২। ছবির মেয়েটির পরিচয় নিয়ে বির্তকের শেষ নেই। কেউ কেউ মনে করেন এই ছবিটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি নিজেকে ভেবে এঁকেছিলেন। অর্থাৎ এটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মহিলারুপ। আবার কেউ কেউ মনে করেন ছবির আসল মহিলা হলেন ২৪ বছর বয়সি লিসা ডিল জিওকোনডো যার দুটি ছেলে আছে।
৩। এই ছবিটি নিখুঁত নয়। ১৯৫৬ সালে ইগো আনগেজ নামক এক ব্যক্তি কোনো এক অজানা কারণে ছবিটিতে একটি পাথর ছুঁড়ে মারেন। যার কারণে মোনা লিসার শরীরের অল্প কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যায়। ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, ছবির মেয়েটির কুনইয়ের নিচের দিকের রংয়ে কিছুটা তালি লাগানো আছে।
৪। এই চিত্রকর্মটি অমূল্য তাই চুরি হওয়ার ভয় থাকলেও এর কোনো বীমা করা হয়নি!
৫। মোনালিসা চিত্রকর্মের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো তার কোনো ভ্রু নেই। এই ভ্রু না থাকা নিয়ে প্রচলিত একটি কারণ হলো, মোনালিসা শুরুতে ভ্রু আঁকা ছিল, কিন্তু ছবিটি সংরক্ষণ করার সময় জাদুঘরের কর্তৃপক্ষের অসাবধানতার কারণে ছবি থেকে ভ্রু মুছে গেছে! এই বিষয়ে আরো একটি ব্যাখ্যা হচ্ছে- মনে করা হয় লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ইচ্ছাকৃতভাবে এই ছবিটি অসম্পূর্ণ রেখেছেন।
৬। লুভর মিউজিয়ামের বিশেষ একটি ঘরে এই চিত্রকর্মটি রাখা হয়েছে। একটি বুলেট প্রুফ গ্লাসের আড়ালে এই চিত্রকর্মটি রাখা আছে। শুধু তাই নয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ দ্বারা এই চিত্রকর্মটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আর এরজন্য মিউজিয়ামে খরচ হয়েছে প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার!
৮। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে মূল ছবিটি আঁকার আগে আরো তিনটি ভিন্ন ভিন্ন ছবি শিল্পী এঁকেছিলেন। আর প্রতিবারই ছবিটির ধরণ ছিল আলাদা আলাদা।
৯। ছবিতে মোনালিসাকে গর্ভবতী মনে করা হয়। তিনি একটি চেয়ারে বসে হাত দিয়ে পেট ঢাকার চেষ্টা করছেন। আর এই থেকে ধারণা করা হয় মোনালিসা গর্ভবতী। মজার বিষয় হলো লিসা ডিল জিওকোনডো গর্ভবতী ছিলেন যখন এই ছবিটি আঁকা হয়!
সূত্র: বোল্ড স্কাই
No comments:
Post a Comment