বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ জলের তোড়ে ভেঙে পড়ে তেলিনিপাড়া ঘাটের জেটি। গঙ্গায় তলিয়ে যায় লঞ্চের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা ৬০ জন যাত্রী। এদের মধ্যে এক মহিলা সহ তিনজনের মৃত্যু হয়। উদ্ধার করা হয় ১৮ জনকে। এখনও নিখোঁজ রয়েছে ২১ জন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল রাতের বিমানেই কলকাতায় ফিরে আসনে চন্দনগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উত্তরবঙ্গ সফরে ছিলেন। কলকাতায় পৌঁছে সোজা চলে আসেন তেলিনিপাড়া ঘাটে। তিনি মৃতদের বাড়ি গিয়ে তাদের পরিবারকে সমবেদনা জানান। এলাকায় আসেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানও।পর্যটনমন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ সকাল থেকে রাজ্যের পরিবহন দপ্তরের জয়েন্ট সেক্রেটারির নেতৃত্বে হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত গঙ্গার দু’পাশের নদী পারাপারের জেটি পরিদর্শনে আসবে একটি দল। যাত্রীদের পারাপারের জন্য গঙ্গা ঘাটের জেটিগুলিকে সুরক্ষিত করতেই এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
এদিকে জেটি ভেঙে যাত্রী মৃত্যু এবং নিখোঁজের ঘটনায় নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। তেলিনিপাড়া ঘাটের চার ইজারাদারকে গ্রেপ্তার করল হুগলি জেলা পুলিশ। ধৃতদের আজ চন্দননগর আদালতে তোলা হবে। কৃষ্ণপ্রসাদ সিং নামে ভদ্রেশ্বরের এক বাসিন্দা ঘাটের ইজারাদারদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইজারাদারদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আজ সকালে আরও একজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment