রাতভর দমকলের সাতটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ করলেও এখনো আগুন জ্বলছে বস্তা কারখানায় ।গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে আছে । প্লাস্টিকের কালো ধোয়াতে বেশ কয়েক জন সসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে !
মঙ্গলবারও সকালে চটের কারখানা থেকে লাগাতার ধোঁয়া বের হচ্ছে ।এদিনও দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ।
গতকাল আগুন লাগার পর চটের কারখানার আশপাশের বাড়ি খালি করে দেওয়া হয় ।গৃহস্থালীর ব্যবহৃত গ্যাস সিল্ডিডার পর্যন্ত বাড়ি থেকে বের করে পুকুরে ফেলে দেয় আতঙ্কিত বাসিন্দারা ।একের পর এক দমকলের ইঞ্জিন ভাতার়,মেমারী ,পানাগড় এমনকি হুগলীর শ্রীরামপুর থেকে দমকলের ইঞ্জিন আসে ঘটনাস্থলে ।তবু আগুন আয়ত্বে আসে নি ।শেষ পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি আগুনকে বাগে আনতে সাহায্য করে ।
প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে বর্ধমান থানা এলাকার ২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন বেচারহাট এলাকায় একটি বস্তা তৈরীর কারখানায় হঠাত আগুন ধরে যায় ! স্থানীয় মানুষ দমকল কে খবর দিলে কিছু ক্ষনের মধ্যেই দমকলের একটা ইঞ্জিন চলে আসে ! কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা দেখে দমকল কর্মীরা বুঝতে পারে এই একটা ইঞ্জিন আগুন নেভানোর পক্ষে যথেষ্ট নয় সাথ সাথে আরও দমকলের ইঞ্জিন চেয়ে পাঠানো হয় ! চলে আসে আরও ইঞ্জিন ! দমকল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে নিকটবর্ত্তী মেমারী ও ভাতার দমকল কেন্দ্র থেকে অতিরিক্ত দমকলের ই়্ঞ্জিন আনা হয়েছে আগুন নেভাবার জন্য ! বর্ধমান দমকলের ৫ টি ইঞ্জিন ভাতার ১ ও মেমারী দমকলের ১ টি ইঞ্জিন ঘটনা স্থলে !স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে এ দিন দুপুর সাড়ে তিন টে নাগাদ আগুন লাগে বস্তা কারখানায় ! স্থানীয় মানুষ দমকল কে খবর দেয় ! দীলিপ সাহা , কাজল মি্ত্র , বাবু পাল জানিয়েছেন , করাখানাটি তে প্লাস্টিকের বস্তা তৈরী হত ! প্লাস্টিক গলিয়ে দড়ি বা সূত তৈরী করে তা থেকে বস্তা তৈরী করাহত ! প্রচুর পরিমানে কেমিক্যেল ও দাহ্য পদার্থ সেখানে মজুত ছিলো ! ঠিক কি করে আগুন লেগেছে বলা যাবেনা ! তবে প্রথমে অল্প অল্প করে কালো ধোয়া বেড় হচ্ছিল তার পরই একটা বিকট শব্দ হয় আর আগুনের গোলার মত উপরে হলকানী ওপরে উঠতে থাকে আর আগুন ছড়িয়ে পড়ে !তারা আরও বলেন কাখানার কর্মীরা রান্না করে খেতেন তাই সেখানে গ্যাসের সিলিন্ডার মজুত করা ছিলো আগুনের তাপে সেগুলি ফেটে যায় আর আগুনের মাত্রা কয়েক গুন বেড়ে যায় ! এই ঘটনায় এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন নিজেদের জিনিষ পত্র সরাতে শুরু করে !

No comments:
Post a Comment