আর্থিক সহায়তা না পেলে আর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবে না রাজ্যের অষ্টম অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 31 May 2017

আর্থিক সহায়তা না পেলে আর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবে না রাজ্যের অষ্টম অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য




 আর্থিক সহায়তা না পেলে আর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবে না রাজ্যের অষ্টম স্থানাধিকারী তমলুকের হ্যামিল্টন হাই স্কুলের ছাত্র অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য। তমলুকের নিশ্চিন্তবসান গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অর্চিষ্মানের স্বপ্ন অংক নিয়ে গবেষনা করা কিংবা অধ্যাপনা করা। কিন্তু তা বাদ সেধেছে পারিবারিক আর্থিক অবস্থা। বাবা অনুপম ভট্টাচার্য পেশায় পার্শ্ব শিক্ষক ছেলের স্বপ্ন পূরনে অক্ষম তাই কান্নায় ভেংগে পড়েছেন। অনুপম বাবু জানান মাসে যে বেতন পাই তাতে সংসার চালাতে পারি না এদিকে ছেলের এই সফলতা আগামী দিনে তার উচ্চ শিক্ষার অর্থ জোগার কোথা থেকে করবো তাছাড়া শারীরিক ভাবে আমি অসুস্থ। কোন সেচ্ছাসেবী সংস্থা যদি এগিয়ে আসেন তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ হব আমরা। আর্থিক সহায়তা না পেলে আর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবে না রাজ্যের অষ্টম স্থানাধিকারী তমলুকের হ্যামিল্টন হাই স্কুলের ছাত্র অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য। তমলুকের নিশ্চিন্তবসান গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অর্চিষ্মানের স্বপ্ন অংক নিয়ে গবেষনা করা কিংবা অধ্যাপনা করা। কিন্তু তা বাদ সেধেছে পারিবারিক আর্থিক অবস্থা। বাবা অনুপম ভট্টাচার্য পেশায় পার্শ্ব শিক্ষক ছেলের স্বপ্ন পূরনে অক্ষম তাই কান্নায় ভেংগে পড়েছেন আর্থিক সহায়তা না পেলে আর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবে না রাজ্যের অষ্টম স্থানাধিকারী তমলুকের হ্যামিল্টন হাই স্কুলের ছাত্র অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য। তমলুকের নিশ্চিন্তবসান গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অর্চিষ্মানের স্বপ্ন অংক নিয়ে গবেষনা করা কিংবা অধ্যাপনা করা। কিন্তু তা বাদ সেধেছে পারিবারিক আর্থিক অবস্থা। বাবা অনুপম ভট্টাচার্য পেশায় পার্শ্ব শিক্ষক ছেলের স্বপ্ন পূরনে অক্ষম তাই কান্নায় ভেংগে পড়েছেন আর্থিক সহায়তা না পেলে আর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে পারবে না রাজ্যের অষ্টম স্থানাধিকারী তমলুকের হ্যামিল্টন হাই স্কুলের ছাত্র অর্চিষ্মান ভট্টাচার্য। তমলুকের নিশ্চিন্তবসান গ্রামের দরিদ্র পরিবারের অর্চিষ্মানের স্বপ্ন অংক নিয়ে গবেষনা করা কিংবা অধ্যাপনা করা। কিন্তু তা বাদ সেধেছে পারিবারিক আর্থিক অবস্থা। বাবা অনুপম ভট্টাচার্য পেশায় পার্শ্ব শিক্ষক ছেলের স্বপ্ন পূরনে অক্ষম তাই কান্নায় ভেংগে পড়েছেন। তিনি জানান ছোট থেকেই ছেলে খুব পরিশ্রমী। আমরা উৎসাহ দিতাম, সেভাবে শিক্ষক দিতে পারিনি। অর্চিষ্মানের এই সফলতায় খুশি পরিবারের লোকজনের পাশাপাশি প্রতিবেশীরা। মা মালতী ভট্টাচার্য জানান ছেলের এই সফলতায় খুব গর্ব বোধ হচ্ছে আবার ছেলের উচ্চ শিক্ষার জন্য টাকা কোথায় পাব তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছি আমরা। অর্চিষ্মানের মানের বাবা পাশ্ব শিক্ষক হিসেবে যে বেতন পান তাতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। কোন সেচ্ছাসেবী সংস্থা যদি এগিয়ে আসে তা হলে ছেলের স্বপ্ন পূরন হবে। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ হব ছেলের উচ্চশিক্ষার জন্য। মা বাবা কোন দিন অভাব বুজতে দেয় নি তবুও অর্চিষ্মান জানত দারিদ্রতার সংগে লড়াই করে বড় হতে হবে বাবা মায়ের মুখে হাসি ফোটাতে হবে। মাধ্যমিকের পর থেকে শুরু হয় লড়াই উচ্চমাধ্যমিকে ৪৮২ পেয়ে রাজ্যে অষ্টম স্থান। কিন্তু সেই লড়াই বুঝি এই বার থেমে যাবে। দারিদ্রতার কাছে বোধয় এবার হার মানতে হবে অর্চিষ্মানকে। তাই তার আবেদন মুখ্যমন্ত্রী যদি সাহায্য করে তার মুখ সে রাখবে।



 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad