পণের দাবীতে খুন এক অন্তঃস্বত্বা গৃহবধূ - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 18 May 2017

পণের দাবীতে খুন এক অন্তঃস্বত্বা গৃহবধূ

পণের দাবীতে খুন এক অন্তঃস্বত্বা গৃহবধূ। বিষ খাইয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার গাজোল ডোবা এলাকায় ১৮ মিলন পল্লী এলাকায়।জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি চাউল হাটি এলাকায় প্রতিক বরুয়ার বছর ২৫ এর মেয়ে জ্যোৎস্না নব দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় গজলডোবা এলাকায় ১৮ মিলন পল্লী এলাকায় বাসিন্দা পেশায় দিনমজুর বাবলু নব দাসের। জ্যোৎস্নার বাবা প্রতিক বরুয়া অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই লাগাতার পনের দাবিতে নিজাতন এর পাশা পাশি মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল ছেলের বাড়ির লোকেরা। ২০১৩ সালের ২৭ ফ্রেব্রয়ারি বিয়ে হয় গাজল ডোবার বাসিন্দা পেশায় দিন মজুর বাবলু নব দাসের সাথে। সেই সময় বিয়েতে ২৫ হাজার টাকা ও সোনা দিয়ে সাজিয়ে দেওয়া হয় জ্যোৎস্নাককে। বিয়ের এক মাস পর থেকেই অত্যাচার শুরু হয় শুধু তাই নয় মেয়েকে চাপ দিয়ে মাঝে মাঝে বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসতে বলত জামাই বাবলু নব দাস। পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এই ঝামেলা সমাধানও করা হয়েছিল বেশ কিছু দিন আগে। কিন্তু এর পরেও একই ভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছিল ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে। জানা গেছে গত বছর জ্যোৎস্না মারা গেছে বলে ফোন যায় চাউল হাটি এলাকায় সাথে সাথে পরিবারের লোকেরা এসে দেখতে পায় সব কিছু ঠিকই আছে। ঠিক এক বছর পর বুধবার রাতে মেয়ের বাবা প্রতিক বরুয়ার কাছে ফোন যায় হাসপাতালে তার মেয়ে নিয়ে আসা হয়েছে তারা তারি হাসপাতালে আসার জন্য। সাথে সাথে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ছুটে এসে দেখতে পায় জ্যোৎস্নার মুখ দিয়ে লালা বের হয়ে নিত্বেজ হয়ে পরে রয়েছে গাড়িতে। সেখান থেকে নামিয়ে চিকিৎসককে দেখালে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। মেয়ের দাদা ও কাকা অভিযোগ করে বলেন, জ্যোৎস্না সুস্থই ছিল। প্রায় দশ মাসের অন্তঃস্বত্বা অবস্থায় ছিল বাবলু ও তার পরিবারের লোকেরা কীটনাশক খাইয়ে মেয়ে ফেলেছেন বলে অভিযোগ। মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে ছেলের মা, ছেলে সহ মোট পাচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে কোতয়ালী থানায়। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও বাকিদের খোঁজে তল্লাশী চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তে পুলিশ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad