নিচু জাত হওয়ায় এক ঘরে করে রাখার অভিযোগ পশ্চিম মেদিনীপুরে - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 10 May 2017

নিচু জাত হওয়ায় এক ঘরে করে রাখার অভিযোগ পশ্চিম মেদিনীপুরে



 দশরুই এর পর এবার পাথরাজুড়ি ফের নিচু জাত হওয়ায় এক ঘরে করে রাখার অভিযোগ। এবার মন্দিরের পুজোকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে পাড়ার ২২ টি পরিবারকে এক ঘরে করে রাখার অভিযোগ উঠল এলাকার মাতব্বর দের উপর।

একবিংশ শতাব্দীতে ও এখনো সমাজকে কু সংস্কার, জাতিগত ভেদাভেদ যে সমাজ কে আষ্টেপৃষ্ঠে বেধে রেখেছে তার প্রমান মিলল ফের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। এ জেলার নারায়নগড়ের দশরুই গ্রামে ২ মাস আগেই নিচু জাত হওয়াই প্রায় ১৫ টি পরিবারকে একঘরে করে রাখার অভিযোগ উঠেছিল। যা এখনো চলছে বলে অভিযোগ। আর এই সমস্যা কাটতে না কাটতেই এবার এই জেলারই শালবনীর পাথরাজুড়ি গ্রামে ২২ টি পরিবারকে একঘরে করে রাখার অভিযোগ উঠল গ্রামের মাতব্বর দের উপর। গ্রামেরই এক মন্দিরে কারা পুজো দেবে তা নিয়ে দু পহ্মের মধ্যে বচসা হয়। যা মেটাতে শালবনীর বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সকলে আসে। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি, উলটে ঐ পাড়ার মাতব্বররা ঐ ২২ টি পরিবারকে একঘরে বা সামাজিক বয়কট  করার নিদান দিয়েছে বলে অভিযোগ। যার জেরে সমস্যায় এলাকার ২২ টি পরিবার। তাদের অভিজোগ তারা নিচু জাত বলেই তাদের সাথে এমনটা করা হয়েছে। এ নিয়ে তারা প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সুরাহা পান নি বলে অভিযোগ। ফলে একঘরে হয়ে চরম দুর্দশার সাথে দিন কাটছে এই কটি পরিবারের।
 পাড়ার ডাক্তারকে বলা হয়েছে যে ঐ ২২ টি পরিবারকে যেন চিকওত্সা না করেন। কথা বললে ৫০০ টাকা ফাইন, চিকিৎসা করলে ১০০১ টাকা ফাইন হবে। তাছাড়া পাড়ার একমাত্র মুদি দোকানিকেও মালপত্র দিতে মানা করে অভিযুক্তরা। নচেত ৫০১ টাকা ফাইন হবে দোকানীর। এই ভাবেই সামাজিক বয়কটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ওই গ্রামের ভুমিজ জাতির ২২ টি পরিবার। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই প্রশান্ত, লহ্মিপদ দোলই রা সামাজিক বয়কট অস্বীকার করলেও পুজোর জন্য দাবিমতো চাঁদা না দেওয়াতেই এই গন্ডগোল বলে মেনে নেন। ঘটনার কথা কম বেশি প্রায় প্রশাসনের সব স্তরের আধিকারিকরাই জানেন, কিন্তু ক্যামেরার সামনে মন্তব্য করতে রাজি হলেন না।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad