নামি দামি কোম্পানির বোতলে নকল ঠান্ডা পানিয়। এমনই নকল নরম ঠান্ডা পানিয় কারখানার হদিশ মিলল উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা বাজারে। নকল পানিয় বানানোর অপরাধে কারখানার মালিক মহম্মদ সিরাজ উদ্দিন ও তার কর্মচারী রাকিবুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে দেগঙ্গা থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে বিভিন্ন নামি কোম্পানি লেভেল সাটা প্রায় ৬০০টি বোতলবন্ধী নকল পানিয়। প্রায় ২০০টি স্টিকার লাগানো খালি বোতল। নকল পানিয় বানানোর রং, ফ্লেবার, নানান কেমিকেল সহ অতি নিন্মমানের জল ও নরম ঠান্ডা পানিয় তৈরির একটি মেশিন। উদ্ধার হওয়া পানিয় কতটা ক্ষতিকারক তার পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে কলকাতার পরীক্ষাগারে। পাশাপাশি কারখানাটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে কারখানাটিতে হানাদেয় দেগঙ্গা থানার ওসি লিটন রক্ষিত ও অন্যান্য পুলিশ কর্মীরা। ধৃত ২ অভিযুক্তকে রবিবার বারাসাত আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে। আরও জানা গেছে, ধৃতদের বাড়ি দেগঙ্গার ঝাঁপা গ্রামে। বছর দুই ধরে রমরমিয়ে চলছিল কারখানাটি। এখান থেকেই বিভিন্ন নামি কোম্পানির ফাঁকা কোল্ড ড্রিংক্সের বোতলে ভেজাল পানীয় ভরে কম দামে বসিরহাট ও বারাসাত মহকুমার বিভিন্ন এলাকায়, দক্ষিন ২৪ পরগনা ও কলকাতাতেও ওই নকল পানীয় সরবরাহ করা হত। জানাগেছে, বেশি মুনাফার লোভে খুচরো বিক্রেতারা কিছু সঠিক পানীয়র সঙ্গে নকল পানীয়র বোতল রেখে বিক্রি করতো। বিশেষত ব্যাস্ত জায়গায় এই নকল পানীয়র চল বেশি বলে পুলিশ জানিয়েছে। শুধু নকল নরম ঠান্ডা পানীয়ই নয় উদ্ধার হয়েছে নামি কোম্পানির ভেজাল পানীয়জলও। উত্তর ২৪ পরগনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিজিৎ ব্যানার্জী জানান, এদের সঙ্গে কারা কারা যুক্ত, কোথায় কোথায় এগুলি বিক্রি হত তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পাশাপাশি নকল পানিয় কতটা ক্ষতিকারক তার পরীক্ষা করতে নমুনা পাঠানো হয়েছে।পুষ্টিবিদ অরিত্রিক খাঁ বলছেন, সাধারণ ভাবে নকল পানিয়ের স্বাদ বোঝা সম্ভব নয়। তাই ক্রেতারা বুঝতেও পারেন না। নকল পানিয় মানুষের শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
For English Read.....
No comments:
Post a Comment