৩৬টি ছেলেমেয়েরা পরও বাবার মন ভরেনি। বাবার ইচ্ছা আরও হবে।বাবার কথায় ‘আল্লাহ দিচ্ছেন।আমি নিচ্ছি’।পাকিস্তানে পড়শি দেশে ১৯ বছর শুরু হয়েছে জনগণনা। আর তাতে দেখা গিয়েছে তিন জন পুরুষের মিলিত ছেলেমেয়ের সংখ্যা একশোর কাছাকাছি। পাকিস্তানের অর্থনীতি কঠিন অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় জনসংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকলে দুর্ভোগ বাড়বে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। তবে এসব মানতে রাজি নন ওই তিন বাবা। তাঁরা জানাচ্ছেন,
আল্লাহ্ই ব্যবস্থা করবেন।
দক্ষিণ এশিয়ার শিশু জন্মের হারে শীর্ষে পাকিস্তান। প্রতি মহিলা তিন সন্তান জন্ম দেন সেদেশে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক ও সরকারের প্রাথমিক তথ্য থেকে অনুমান এই জন্মের হার অপরিবর্তিত রয়েছে। গুলজার খানের ৩৬টি ছেলেমেয়ে। তাঁর তিনটি স্ত্রী। ৩৬টি বাচ্চার পরেও তার সাধ মেটেনি। তৃতীয় স্ত্রী সন্তানসম্ভবা। ৫৭ বছরের গুলজার পাকিস্তানের বান্নু শহরের বাসিন্দা। ৩৬টি ছেলেমেয়ের পরেও কেন সন্তান নিচ্ছেন তিনি?
গুলজারের যুক্তি, “আল্লাহ গোটা দুনিয়া মানুষের জন্য বানিয়েছেন। কেন আমি বাচ্চা হওয়ার এই প্রক্রিয়া থামাব? ইসলামের পরিবার পরিকল্পনা করতে বারণ। আমরা শক্তিশালী হতে চাই।” ২৩টি বাচ্চাকে পাশে বসিয়ে তাঁর রসিক মন্তব্য, “ওদের ক্রিকেট খেলার জন্য বন্ধুদের দরকার পড়বে না।”
তাঁর ভাই মস্তান খান ওয়াজির খানের ২২টি ছেলেমেয়ে। তিনিও তিনটি বিবাহ করেছেন। ওয়াজিরের কথায়,
আমার নাতিনাতনির সংখ্যা অনেক। সেটা বলতে পারব না। তাঁর কথায়,
আল্লাহ তো বলেছেন তিনিই সব কিছু দেবেন। তাঁকে বিশ্বাস করি আমি। বালোচিস্তানের জান মহম্মদের ছেলেমেয়ের সংখ্যা ৩৮। তিনি আবার একশোটি বাচ্চার বাবা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।এজন্য তিনি চতুর্থ বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভাল মেয়ে পাচ্ছেন না। পেলেই বিয়ে করবেন।পাশাপাশি ‘শতরানকারী’
বাবা হবেন। জান মহম্মদের ব্যাখ্যা,
“মুসলিমদের জনসংখ্যা বাড়া উচিত। তাতে গোটা বিশ্ব আমাদের ভয় পাবে।”
For English Read....

No comments:
Post a Comment