সিআইডির জালে ধরা পড়লেন সি এস কারনান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অপসারিত এই বিচারপতিকে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার তাঁকে কলকাতায় আনা হচ্ছে। আপাতত তাঁর ঠিকানা হবে প্রেসিডেন্সি জেল। হাইকোর্টে কর্মরত অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধেই প্রথম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।শীর্ষ আদালতকে অবমাননা। এই অভিযোগে গত ৯ মে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃ্ত্বাধীন ৭ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ। যাকে তাঁরা শাস্তি দিয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন কারনান। রাজারহাটে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গিয়েও পুলিশ খালি হাতে ফিরে আসে। এরপরই গা ঢাকা দেন কারনান। শোনা গিয়েছিল চেন্নাইতে রয়েছেন অপসারিত বিচারপতি। অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার খবরও এসেছিল। তিন রাজ্যের পুলিশ হন্যে হয়েও তাঁর খোঁজ পায়নি। একাধিক জায়গা পাল্টাতে থাকেন।হাইকোর্টে কর্মরত অবস্থায় কারনানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। যা বেনজির। ফেরার অবস্থাতেই তিনি অবসর নেন। যেটাও একটা লজ্জার রেকর্ড। ইতিমধ্যে আইনজীবীর মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা চেয়ে সেই সুপ্রিম কোর্টেরই দ্বারস্থ হয়েছিলেন কারনান। তবু শেষরক্ষা হল না। বেনজিরভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। বিপদ বুঝে আত্মপক্ষ সমর্থনে কারনান দাবি করেছিলেন, দলিত বলে তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার তাঁকে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার কারনানকে কলকাতায় আনা হবে। রাখা হবে প্রেসিডেন্সি জেলে।
সিআইডির জালে ধরা পড়লেন সি এস কারনান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অপসারিত এই বিচারপতিকে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার তাঁকে কলকাতায় আনা হচ্ছে। আপাতত তাঁর ঠিকানা হবে প্রেসিডেন্সি জেল। হাইকোর্টে কর্মরত অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধেই প্রথম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল।শীর্ষ আদালতকে অবমাননা। এই অভিযোগে গত ৯ মে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃ্ত্বাধীন ৭ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ। যাকে তাঁরা শাস্তি দিয়েছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন কারনান। রাজারহাটে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে গিয়েও পুলিশ খালি হাতে ফিরে আসে। এরপরই গা ঢাকা দেন কারনান। শোনা গিয়েছিল চেন্নাইতে রয়েছেন অপসারিত বিচারপতি। অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়ার খবরও এসেছিল। তিন রাজ্যের পুলিশ হন্যে হয়েও তাঁর খোঁজ পায়নি। একাধিক জায়গা পাল্টাতে থাকেন।হাইকোর্টে কর্মরত অবস্থায় কারনানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। যা বেনজির। ফেরার অবস্থাতেই তিনি অবসর নেন। যেটাও একটা লজ্জার রেকর্ড। ইতিমধ্যে আইনজীবীর মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা চেয়ে সেই সুপ্রিম কোর্টেরই দ্বারস্থ হয়েছিলেন কারনান। তবু শেষরক্ষা হল না। বেনজিরভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল। বিপদ বুঝে আত্মপক্ষ সমর্থনে কারনান দাবি করেছিলেন, দলিত বলে তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার তাঁকে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার কারনানকে কলকাতায় আনা হবে। রাখা হবে প্রেসিডেন্সি জেলে।
No comments:
Post a Comment