রাজাকে খুশি করার রেওয়াজ নতুন নয়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস দাবি করে বিভিন্ন রাজাদের অনুগত লেখকরা গুনগান করে গল্প, কবিতা লিখেছেন। রাজদরবারে রাজাকেও খুশি করতেন মন্ত্রী, উজির, নায়েব,গোমেস্তারা।বর্তমানে দলনেতাকে খুশি করা মন্তব্য করে সেরার শিরোপা পেলেন বীরভূমের অনুব্রত মন্ডল। রবীন্দ্রনাথ ও অর্মত সেনের নোবেলের থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কন্যাশ্রী পুরস্কার দামী মন্তব্য করার পর প্রতিক্রিয়ায় ব্যস্ত হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক গ্রুপ। অশ্লিল কার্টুন থেকে স্লোগানের সঙ্গে ফ্রি গালমন্দ পোষ্ট দেখা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমের গ্রুপে।
বীরভূমের ডাকসাইটের শাসক অনুব্রত মন্ডলের মন্তব্যের সপক্ষে যুক্তি আছে। যা খন্ডন করা কঠিন। অর্মত সেনের থিওরী বাংলার উন্নতিতে কি ভূমিকা নিয়েছে তা রাজ্যের মেয়ের টের পায়নি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রীতে খুশি মহিলা মহল। সাইকেল ও বইখাতা কেনার টাকা বাবার পকেট থেকে না খসার কারনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী বাম এবং রাম পন্থী বাংলার হাজারো বাবারাও খুশি।
কিন্তু বিশ্ব কবির সৃষ্টির সঙ্গে কন্যাশ্র্রী সত্যি কি তুলনা করা যায়! বিশ্বে যা কিছু আছে সেখানেই রবীন্দ্রনাথ এই কথিত উক্তির সঙ্গে বিশ্ব দিমত দেখানোর দুঃসাহস দেখাতে না পারলেও অনুব্রত মন্ডল ব্যতিক্রমী। তিনি পারলেন। এবং বললেন,
রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে পাওয়া কন্যাশ্রী প্রকল্পে সম্মানিত পুরস্কার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল ও অমর্ত্য সেনের নোবেলের চেয়ে অনেক দামী।
বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আর তাঁর এই মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
তৃণমূল পন্থী শিক্ষকরা বলছেন, দিদিমনিকে খুশি করতেই এই মন্তব্য। আর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বলছেন, ইনফিনিটিভ টু দি পাওয়ার তৈল তোষামদী করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন অনুব্রত মন্ডল। এটা না ধরাই ভালো।
প্রসঙ্গত নেদারল্যান্ডের হেগ থেকে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প পুরস্কার পাওয়া দেশের কাছে বড় প্রাপ্তি। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডলের কথা অনুসারে এই পুরস্কার ‘নোবেল’ পুরস্কার এর থেকেও দামি ।কারণ হিসাবে তিনি বলেন, ৬৩ টি দেশের মধ্যে ৫৫২টি প্রকল্পকে পিছনে ফেলে যে ভাবে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে এসেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।তাই এই পুরস্কার রাজ্য তথা দেশের কাছে বড় গর্বের বিষয়।এই পুরস্কার নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীও গর্ব করতে পারেন। এর পরেই তিনি বলেন, এই জেলাই নোবেল জয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাধনা ক্ষেত্র, তেমনই আর এক নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের জন্মভূমিও এই বীরভূম। ‘নোবেল’এর থেকে দামি ‘কন্যাশ্রী’-র পুরস্কার নিয়েও গর্ব করা উচিৎ বলে মনে করেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে অনুব্রত মণ্ডলের এই মন্তব্যে হতবাক রাজনৈতিক মহল থেকে বুদ্ধিজীবী মহলের একটা বড় অংশ। যদিও তৃণমূলের অন্যান্য নেতারা এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
বীরভূমের ডাকসাইটের শাসক অনুব্রত মন্ডলের মন্তব্যের সপক্ষে যুক্তি আছে। যা খন্ডন করা কঠিন। অর্মত সেনের থিওরী বাংলার উন্নতিতে কি ভূমিকা নিয়েছে তা রাজ্যের মেয়ের টের পায়নি। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রীতে খুশি মহিলা মহল। সাইকেল ও বইখাতা কেনার টাকা বাবার পকেট থেকে না খসার কারনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী বাম এবং রাম পন্থী বাংলার হাজারো বাবারাও খুশি।
কিন্তু বিশ্ব কবির সৃষ্টির সঙ্গে কন্যাশ্র্রী সত্যি কি তুলনা করা যায়! বিশ্বে যা কিছু আছে সেখানেই রবীন্দ্রনাথ এই কথিত উক্তির সঙ্গে বিশ্ব দিমত দেখানোর দুঃসাহস দেখাতে না পারলেও অনুব্রত মন্ডল ব্যতিক্রমী। তিনি পারলেন। এবং বললেন,
রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে পাওয়া কন্যাশ্রী প্রকল্পে সম্মানিত পুরস্কার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল ও অমর্ত্য সেনের নোবেলের চেয়ে অনেক দামী।
বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। আর তাঁর এই মন্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
তৃণমূল পন্থী শিক্ষকরা বলছেন, দিদিমনিকে খুশি করতেই এই মন্তব্য। আর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বলছেন, ইনফিনিটিভ টু দি পাওয়ার তৈল তোষামদী করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন অনুব্রত মন্ডল। এটা না ধরাই ভালো।
প্রসঙ্গত নেদারল্যান্ডের হেগ থেকে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প পুরস্কার পাওয়া দেশের কাছে বড় প্রাপ্তি। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডলের কথা অনুসারে এই পুরস্কার ‘নোবেল’ পুরস্কার এর থেকেও দামি ।কারণ হিসাবে তিনি বলেন, ৬৩ টি দেশের মধ্যে ৫৫২টি প্রকল্পকে পিছনে ফেলে যে ভাবে ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়ে এসেছে, তা প্রশংসার দাবি রাখে।তাই এই পুরস্কার রাজ্য তথা দেশের কাছে বড় গর্বের বিষয়।এই পুরস্কার নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীও গর্ব করতে পারেন। এর পরেই তিনি বলেন, এই জেলাই নোবেল জয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাধনা ক্ষেত্র, তেমনই আর এক নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের জন্মভূমিও এই বীরভূম। ‘নোবেল’এর থেকে দামি ‘কন্যাশ্রী’-র পুরস্কার নিয়েও গর্ব করা উচিৎ বলে মনে করেন অনুব্রত মণ্ডল। তবে অনুব্রত মণ্ডলের এই মন্তব্যে হতবাক রাজনৈতিক মহল থেকে বুদ্ধিজীবী মহলের একটা বড় অংশ। যদিও তৃণমূলের অন্যান্য নেতারা এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন।

No comments:
Post a Comment