জেলা প্রশাসনিক বৈঠকে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে গোবরডাঙ্গার চ্যেয়ারম্যান ও বিধায়ক গোবরডাঙ্গা গ্রামীন হাসপাতালটি নতুন ভাবে চালু করার কথা। ধমকের সুর শোনা গেছিল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। তারপর থেকেই ক্ষোভে ফুটছে গোবরডাঙ্গা বাসী। ১৯৫৭ সালে এটি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র হিসাবে পথ চলা শুরু করেছিল ২০০১ সালে গ্রামীন হাসপাতালের চেহারা পায়।হাসপাতালটি চল্লিশ বেডের থাকার জন্য যথেষ্ট সুবিধা তারা যার ছায়াতে গোবরডাঙ্গা পৌরবাসী ও পাঁচটি পঞ্চায়েতের মানুষ নির্ভরশীল ছিল কিন্তুু মুখ্যমন্ত্রীর কথায় আজ হতাশ গোবরডাঙ্গা বাসী। তাই পৌর উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সকাল থেকে বারো ঘন্টার প্রতীকি বনধের ডাক দিয়েছে। সকাল থেকেই এই বনধে জনজীবনে প্রভাব পরেছে। বনধের আয়তায় সরকারী ও বেসরকারি সব অফিস ও স্কুল । তা সত্বেও ব্যাঙ্ক ও রেল কলেজ পরিষেবাকে বনধের আয়তার বাইরে রাখা হয়েছে। গোবরডাঙ্গা পৌরসভা খোলা থাকলেও উপস্হিতির হার ছিল চোখে পরার মতো। দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দলের পক্ষো থেকে এই বনধ কে মেনে নেওয়া হয়েছে। এই বনধ নিয়ে পৌরপিতা সুভাষ দওের সাথে কথা বললে তিনি যানান আমরা বনধের সমর্থনও করি না বিরোধীতাও করছি না। আমরা হাসপাতাল চাই।
No comments:
Post a Comment