একি ঠিকানায় চলছে একশোটি চিটফান্ড। পুলিশকে জানিয়েও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ। পিএমও-র নির্দেশেও ভ্রূক্ষেপ নেই রাজ্যের। আরও অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের ভূমিকা নিয়েও। গোটা ঘটনায় আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য।
জানা গিয়েছে , অরুণ কুমার মাদোগারিয়া নামে এক ব্যক্তির বড়বাজারের মল্লিক স্ট্রিটে একটি অফিস রয়েছে। ২০০১ সাল থেকে অফিসটি তিনি তালাবন্ধ রাখেন। ২০১২ সালে তাঁর ছেলে চ্যাটার্ট অ্যাকাউন্ট পাশ করার পর অফিসটিকে কাজে লাগাতে তালা খোলেন তিনি। এরপর থেকেই দেখা যায়, প্রায়ই বিভিন্ন চিটফান্ড সংস্থার প্রতারিত আমানতকারী, এজেন্টরা এসে তাঁর কাছে পাওনা টাকা চাইছেন। কেউ কেউ আবার টাকা না পেলে রীতিমতো দেখে নেবার হুমকিও দিয়ে যাচ্ছেন।
তথ্য জানার অধিকার আইনে তাঁর অফিসের ঠিকানা কতজন ব্যবহার করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তা জানতে আবেদন করেন তিনি।জানা যায়, প্রায় ১২ বছর বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা একটি অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে বেআইনি কাজ কারবার চালিয়েছে ১০০টিরও বেশি চিটফান্ড সংস্থা। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ জানালেও নেওয়া হয়নি কোনও ব্যবস্থা।
বিষয়টি নিয়ে প্রতিকার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে চিঠি লেখেন অরুণবাবু। PMO অফিস রাজ্যের মুখ্যসচিবকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেয়। রাজ্যের মুখ্যসচিব কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বিষয়টি দেখতে বলে। কিন্তু কলকাতার পুলিশ কমিশনার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে আদালতে অভিযোগ করেছেন অরুণবাবু।ওই ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে কেন কলকাতা পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি, তার কারণ জানিয়ে রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

No comments:
Post a Comment