ভরা এজলাসে তিরস্কৃত হয়ে আদালত অবমাননার দ্বায়ে দুঘন্টার জন্য গ্রেফতার হলেন এক পুলিশ। হাবড়া থানার কর্মরত ওই এ এস আই এর নাম নিতাই ভট্টাচার্য। আদালতের নির্দেশ নামানার জন্য বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতের লকআপে গ্রেফতার করে রাখা হয়। দুপুরে তাকে জামিন দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বারাসত আদালতে।
প্রসঙ্গত গত মাসের ১৬ তারিখ উত্তর চব্বিশ পরগনার গুমার বাসিন্দা অসিত হালদার হাবড়ার একটি বস্ত্র বিপনিতে ঢোকার সমীরাস্তার পাশে নিজের বাইক রেখে। ফিরে আসার সাথে সাথে তাকে পুলিশ ধরে এবং তার মাথায় হেলমেট না থাকার কারণে পুলিশ গাড়িটিকে হাবড়া থানায় নিয়ে আসে । অভিযোগ, সাথে সাথে এবং কাগজপত্র দেখতে চাইলে বাইক আরহী সব দেখায় কিন্তুু হেলমেট না থাকার জন্য বাইকটি আটকে রাখে বলে অভিযোগ । কিছুদিন অফিসারের সাথে দেখা করে বাইকটি নেওয়ার চেষ্টা করলে অফিসার দশ হাজার টাকা ঘুষ চায় এবং নানা কারন দেখিয়ে ভয় দেখায় বলে অভিযোগ অসিত হালদারের আইনজীবীর। শেষমেষ অনেক দিন হয়ে যাওয়ার পর বারাসাত আদালতের দারস্হ হয় ওই বাইক আরহী। আদালত অফিসারের কাছে এবং থানার কাছে কি কারনে বাইকটি আটকে রাখা হয়েছে যানতে চাইলে কোন উওর মেলেনি এক মাসের মধ্যে। অবশেষে বুধবার আদালত-অবমাননার জন্য আদালতের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত অফিসারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে বারাসাত আদালত। অভিযুক্ত অফিসারের সাথে কথা বলার জন্য গেলে ক্যামেরা দেখে কিছু না বলে পালিয়ে যান তিনি। আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে এ এস আই এর নিতাই ভট্টাচার্য বারাসত আদালতে সারেন্ডার করলে বিচারক বলেন, থানায় বসে নিজের খেয়াল খুশিতে চলছেন। আদালতের নির্দেশ মানছেন না। বিচারক প্রশ্ন করেন,আদালত চেনেন। জানেন। আগে কখনও এসেছেন আদালতে। এবার বুঝবেন আদালত কি? এএসআই নিতাই ভট্টাচার্য বলেন, ভূল হয়ে গেছে স্যার। ক্ষমা করে দিন।
প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই এই হাবড়া থানার এক মহিলা এস আই এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠৈছিল বিনা অভিযোগে এক যুবককে বাড়ি থেকে নিয়ে এসে থানার লকাপে বেধরক মারধরের।

No comments:
Post a Comment