দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে ৪৯ স্টেশনে বসতে চলেছে এটিএম ব্যবস্থা।এই শাখার ৯১ টি স্টেশনের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ১৩ টি স্টেশনে রয়েছে এটিএম। বাকি স্টেশন গুলিতে না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। বর্তমানে রেলের খড়গপুর ডিভিশনের অধীনে হল্ট স্টেশন বাদ দিয়ে ৯১টি স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে খড়্গপুর, মেদিনীপুর, সাঁতরাগাছি, মেচেদা, বাগনান, শালিমার-সহ ১৩টি স্টেশনে এটিএম কাউন্টার রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, বালিচক, পাঁশকুড়া, বেলদা, জলেশ্বর, ঘাটশিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন-সহ বাকি ৭৮টি স্টেশনেই নেই কোনও এটিএম। ফলে হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হলে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। আর এই দুর্ভোগ কমাতে বাকি স্টেশন গুলিতেও এটিএম কাউন্টার করতে উদ্যোগী হল রেল কর্তৃপক্ষ। প্রথম দফায় বাকি থাকা স্টেশনগুলির এর মধ্যে ৪৯ টি স্টেশনে বসতে চলেছে এটিএম। এই ৪৯ টি স্টেশনে মোট ৮৬ টি এটিএম কাউন্টার খোলার লক্ষ রেখেছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেল সূত্রে খবর, এই এটিএম বসানোর ক্ষেত্রে এতদিন এজেন্ট মারফত রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করত ব্যাঙ্কগুলি। এ ক্ষেত্রে এজেন্টের মাধ্যমে কাজ হওয়ায় রেল নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় বেশি টাকা খরচ হয় ব্যাঙ্কের। তাই এটিএম কাউন্টার খোলার জন্য আগে বারবার টেন্ডার ডাকা হলেও ব্যাঙ্কগুলি সে ভাবে আগ্রহ দেখায়নি। তাই এ বার সরাসরি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাঁদের এটিএমের ভাড়ার হার জানাতে চান রেল কর্তৃপক্ষ। রেল কর্তৃপক্ষ চাইছেন, ব্যাঙ্কগুলি সরাসরি এটিএম খোলার জন্য দরপত্রে অংশগ্রহণ করুক। বুধবার এ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন খড়্গপুর ডিভিশানের কমার্শিয়াল বিভাগের রেল আধিকারিকর। ব্যাঙ্কগুলির কাছ থেকে তাদের মতামত নেওয়া হয় এদিন। খুব শীঘ্রই বাকি স্টেশনগুলির জন্য নতুন করে টেন্ডার ডাকা হবে বলে খবর। আর এই লক্ষমাত্রা কার্যকর হলে যাত্রীরা উপকৃত হবেন বলেই এদিন জানালেন বেলদা স্টেশন এর যাত্রীরা।
দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে ৪৯ স্টেশনে বসতে চলেছে এটিএম ব্যবস্থা।এই শাখার ৯১ টি স্টেশনের মধ্যে বর্তমানে মাত্র ১৩ টি স্টেশনে রয়েছে এটিএম। বাকি স্টেশন গুলিতে না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। বর্তমানে রেলের খড়গপুর ডিভিশনের অধীনে হল্ট স্টেশন বাদ দিয়ে ৯১টি স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে খড়্গপুর, মেদিনীপুর, সাঁতরাগাছি, মেচেদা, বাগনান, শালিমার-সহ ১৩টি স্টেশনে এটিএম কাউন্টার রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, বালিচক, পাঁশকুড়া, বেলদা, জলেশ্বর, ঘাটশিলার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন-সহ বাকি ৭৮টি স্টেশনেই নেই কোনও এটিএম। ফলে হঠাৎ টাকার প্রয়োজন হলে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। আর এই দুর্ভোগ কমাতে বাকি স্টেশন গুলিতেও এটিএম কাউন্টার করতে উদ্যোগী হল রেল কর্তৃপক্ষ। প্রথম দফায় বাকি থাকা স্টেশনগুলির এর মধ্যে ৪৯ টি স্টেশনে বসতে চলেছে এটিএম। এই ৪৯ টি স্টেশনে মোট ৮৬ টি এটিএম কাউন্টার খোলার লক্ষ রেখেছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেল সূত্রে খবর, এই এটিএম বসানোর ক্ষেত্রে এতদিন এজেন্ট মারফত রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করত ব্যাঙ্কগুলি। এ ক্ষেত্রে এজেন্টের মাধ্যমে কাজ হওয়ায় রেল নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় বেশি টাকা খরচ হয় ব্যাঙ্কের। তাই এটিএম কাউন্টার খোলার জন্য আগে বারবার টেন্ডার ডাকা হলেও ব্যাঙ্কগুলি সে ভাবে আগ্রহ দেখায়নি। তাই এ বার সরাসরি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাঁদের এটিএমের ভাড়ার হার জানাতে চান রেল কর্তৃপক্ষ। রেল কর্তৃপক্ষ চাইছেন, ব্যাঙ্কগুলি সরাসরি এটিএম খোলার জন্য দরপত্রে অংশগ্রহণ করুক। বুধবার এ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন খড়্গপুর ডিভিশানের কমার্শিয়াল বিভাগের রেল আধিকারিকর। ব্যাঙ্কগুলির কাছ থেকে তাদের মতামত নেওয়া হয় এদিন। খুব শীঘ্রই বাকি স্টেশনগুলির জন্য নতুন করে টেন্ডার ডাকা হবে বলে খবর। আর এই লক্ষমাত্রা কার্যকর হলে যাত্রীরা উপকৃত হবেন বলেই এদিন জানালেন বেলদা স্টেশন এর যাত্রীরা।

No comments:
Post a Comment