দৃষ্টিহীনদের জন্য ‘টর্চ’!অভিনব যন্ত্রের আবিষ্কার করল দুই পড়ুয়া। সামনে বাধা এলেই হবে ‘বিপ বিপ’ শব্দ। বাধা যত এগিয়ে আসবে, শব্দ বাড়বে। যাঁর হাতে ওই টর্চ থাকবে, তিনি কম্পনও (ভাইব্রেশন) অনুভব করবেন। দৃষ্টিহীনদের জন্য এমনই এক অভাবনীয় ‘ব্লাইন্ড টর্চ’ আবিষ্কার করেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুরের হিজলি কলেজের কম্পিউটর অ্যাপ্লিকেশন (বিসিএ) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দুই পড়ুয়া মণীশ প্রসাদ ও আকাশ শর্মা। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ছাত্র-যুব বিজ্ঞান মেলায় রাজ্যের ১৪৬ টি কলেজের মধ্যে তৃতীয় পুরস্কারও পেয়েছে দুই কলেজ পড়ুয়া। ছাত্র যুব বিজ্ঞান মেলাতে জেলায় প্রথম হওয়ার দরুন যখন রাজ্য স্তরে ভাগ নেওয়ার প্রস্তুতিরর জন্য তৈরি হচ্ছিল। ঠিক সে সময় এবারের বিষয় দেওয়া হয় দৃষ্টিহীনদের উপর কিছু করা। সেই মতো এই দুই ছাত্র ঠিক করেন দৃষ্টিহীনদের জন্য সহায়ক যন্ত্র বানাবেন। সেই মতো কলেজের বিসিএ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দীপক পাত্র'র তত্ত্বাবধানে হার্ডঅয়্যার ল্যাব-এ ১০-১২ দিনের পরিশ্রমে তৈরি হয় এই ‘ব্লাইন্ড টর্চ’। আর এই বিশেষ টর্চ বাকি সমস্ত কলেজকে পিছনে ফেলে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। উল্লেখ্য এই প্রতিযোগিতায় বহু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও অংশগ্রহণ করে। তা সত্ত্বেও আকাশ ও মণীশের এই আবিষ্কার পুরস্কৃত হওয়াই কলেজের মুকুটে যে এক অনন্ন পালক গুঁজেছে, তা বলাই যায়। বর্তমানে এই দুই ছাত্র চাইছেন তাদের আবিষ্কার আরো কিছুটা উন্নত করে দৃষ্টিহীনদের স্বার্থে এটিকে বাজারে আনা।
দৃষ্টিহীনদের জন্য ‘টর্চ’!অভিনব যন্ত্রের আবিষ্কার করল দুই পড়ুয়া। সামনে বাধা এলেই হবে ‘বিপ বিপ’ শব্দ। বাধা যত এগিয়ে আসবে, শব্দ বাড়বে। যাঁর হাতে ওই টর্চ থাকবে, তিনি কম্পনও (ভাইব্রেশন) অনুভব করবেন। দৃষ্টিহীনদের জন্য এমনই এক অভাবনীয় ‘ব্লাইন্ড টর্চ’ আবিষ্কার করেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুরের হিজলি কলেজের কম্পিউটর অ্যাপ্লিকেশন (বিসিএ) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দুই পড়ুয়া মণীশ প্রসাদ ও আকাশ শর্মা। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ছাত্র-যুব বিজ্ঞান মেলায় রাজ্যের ১৪৬ টি কলেজের মধ্যে তৃতীয় পুরস্কারও পেয়েছে দুই কলেজ পড়ুয়া। ছাত্র যুব বিজ্ঞান মেলাতে জেলায় প্রথম হওয়ার দরুন যখন রাজ্য স্তরে ভাগ নেওয়ার প্রস্তুতিরর জন্য তৈরি হচ্ছিল। ঠিক সে সময় এবারের বিষয় দেওয়া হয় দৃষ্টিহীনদের উপর কিছু করা। সেই মতো এই দুই ছাত্র ঠিক করেন দৃষ্টিহীনদের জন্য সহায়ক যন্ত্র বানাবেন। সেই মতো কলেজের বিসিএ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দীপক পাত্র'র তত্ত্বাবধানে হার্ডঅয়্যার ল্যাব-এ ১০-১২ দিনের পরিশ্রমে তৈরি হয় এই ‘ব্লাইন্ড টর্চ’। আর এই বিশেষ টর্চ বাকি সমস্ত কলেজকে পিছনে ফেলে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। উল্লেখ্য এই প্রতিযোগিতায় বহু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও অংশগ্রহণ করে। তা সত্ত্বেও আকাশ ও মণীশের এই আবিষ্কার পুরস্কৃত হওয়াই কলেজের মুকুটে যে এক অনন্ন পালক গুঁজেছে, তা বলাই যায়। বর্তমানে এই দুই ছাত্র চাইছেন তাদের আবিষ্কার আরো কিছুটা উন্নত করে দৃষ্টিহীনদের স্বার্থে এটিকে বাজারে আনা।

No comments:
Post a Comment