আমরা দিল্লির
শিক্ষ্যা নেবনা। আমরা নেতাজীর শিক্ষ্যা নেব। আমরা বিবেকানন্দের শিক্ষ্যা নেব।
শনিবার তারকেশ্বর ব্লক ও টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের রক্তদান অনুষ্ঠানে এসে একথাই বললেন
পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিন তারকেশ্বরের ওই রক্তদান অনুষ্ঠানে ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,
মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত, মন্ত্রী অসীমা পাত্র, বিধায়ক বেচারাম মান্না, প্রবীর ঘোষাল,
তারকেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন সামন্ত ও ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুন্ডু,
তৃণমূলের হুগলি জেলার যুব সভাপতি শান্তুনু বন্দোপাধ্যায়, টিএমসিপির জেলা সভাপতি
গোপাল রায় সহ একাধিক তৃণমূলের নেতা ও নেত্রীরা।
ওই রক্তদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বিরোধীদের কুৎসার জবাব দিতে গিয়ে
বলেন, আমরা শ্রীরামকৃষ্ণের শিক্ষ্যা নেব। কারন, তিনি মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়েছেন।
মসজিদে গিয়ে নামাজ পাঠ করেছেন। গির্জায় গিয়েছেন। সেখান থেকে থেকে বেড়িয়ে এসে তিনি
বলেছেন, যত মত। তত পথ। শ্রীরামকৃষ্ণ আমাদের এই শিক্ষ্যা দিয়েছেন। বাংলার মানুষ কোন
সম্প্রদায়ের সেটা আমাদের দেখার দরকার নেই। আমরা শ্রীরামকৃষ্ণের আদর্শে বিশ্বাসী। এদিন
মন্ত্রী ফিরহাদ বলেন, মহারাজ মন্দির দেখবেন। বাইরের উন্নয়নের কাজ আমি দেখব। মন্ত্রী
ফিরহাদ এদিন বলেন, যারা মানুষের মধ্যে এই ভেদাভেদ করেন তারা পাপ করছেন। তারা
অন্যায় করছেন। ওই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, জন্ম আমার হাতে নেই। ওটা
উপরওয়ালার হাতে। কিন্তু, কর্ম আমার হাতে। আমি কালি পূজো করি। চেতলায় বড় দুর্গাপুজো
করি। আমি ভূকৈলাশের মন্দির সংস্কার করেছি। ভোলা বাবা আমার নিবেদন নিয়ে নিয়েছেন।
যারা এই সব কথা বলে কুৎসা করছেন তারা পাপ করছেন অন্যায় করছেন। যারা মন্দির ও
উন্নয়নের কথা গুলিয়ে ফেলেন। তারা মুর্খ। মন্দির রক্ষ্যা ও পুজোপাঠ এই বিষয়গুলি
দেখবেন পুজো কমিটির পুরোহিতরা। আমি দেখব বাইরের উন্নয়ন।
এদিন ফিরহাদ বলেন, আমি ছোট
বেলায় কালিঘাটে ভলান্টিয়ারি করেছি। কিভাবে ছেলেবেলা মুছে যাবে। এরপর ফিরহাদ হাকিম
অভিযোগ করে বলেন, বাংলায় কেউ এসব কথা বলেননা। দিল্লি থেকে এসব বলা হয়।


No comments:
Post a Comment