গোঘাটের বিধায়ককে
গালিগালাচ করে প্রাননাশের হুমকী দেওয়ার অভিযোগে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগ থানার বাসুদেবপুর মোড়ে। ওই বিধায়কের নাম মানষ
মজুমদার। তিনি গোঘাটের বিধায়ক। এই ঘটনায় কিরন কর্মকার নামে এক দুষ্কৃতীকে পুলিশ
গ্রেফতার করেছে।
তার বাড়ি গোঘাট থানার কামচে এলাকায়। এই ঘটনায় অপর এক দুষ্কৃতীকে পুলিশ খুঁজছে বলে
জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা
গিয়েছে, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টা নাগাত গোঘাটের বিধায়ক মানষ মজুমদার গোঘাটের শ্যামবাজার
এলাকায় ২১জুলাইয়ের মিটিং সেড়ে তার গাড়িতে চেপে তিনি সপ্তগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন।
সেই সময়ে আরামবাগের কাছে বসন্তপুর মোড় থেকে একটি বাইকে চেপে দুই দুষ্কৃতী ওই
বিধায়ককে লক্ষ্য করে গালিগালাচ শুরু করে। একই সঙ্গে ওই দুষ্কৃতীরা বাইকে চেপে
বিধায়কের গাড়িকে তারা করে। এই ভাবে প্রায় এক কিমি যাওয়ার পর আরামবাগের বাসুদেবপুর
মোড়ের কাছে গিয়ে বিধায়কের গাড়ির সামনে বাইকটি দাড় করিয়ে বিধায়কের গাড়ি আটকে তাকে
গালিগালাচ করে। একই সঙ্গে তাকে প্রাননাশের হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ। ওই সময়ে বিধায়কের নিরাপত্তারক্ষী গাড়ি
থেকে নেমে দুষ্কৃতীদের তারা করতেই বাইক ফেলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে।
চিংকার চেচামেচিতে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে। খবর যায় আরামবাগ থানায়। খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে একজন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় ওই বিধায়কের হয়ে মলয়
নন্দী নামে এক ব্যাক্তি আরামবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এই প্রসঙ্গে
বিধায়ক মানষ মজুমদার বলেন, এই ঘটনায় বিজেপির মদত রয়েছে। যে ব্যাক্তি ধরা পড়েছে
কিছু দিন আগে সে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচীকর মন্তব্য করেছিলেন। একই
সঙ্গে গোঘাটের ভাবাদিঘী এলাকায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা
গিয়েছিল। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ন উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি ভাষ্কর
ভট্টাচার্য। এদিন ভাষ্কর ভট্টাচার্য বলেন, এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীদন্দ্বের ফল।
তৃণমূলের একগোষ্ঠীকে আটকাতে এটা অপর গোষ্ঠীর কাজ। ওই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও
সম্পর্ক নেই। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার তাকে
আরামবাগ কোর্টে পাঠান হয়েছে। বিচারক তাকে জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment